নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকায় নবগঠিত মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিব্বুল্লাহ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে পরপর দুজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক টিম এই দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে পরপর দুই স্থানে ডাকাতি চলাকালে মহাসড়কে দশটি টিমের অবস্থানকালে দুটি টিম দুজন ডাকাতকে ধরতে সক্ষম হয়। পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দী গ্রামের ওমর ফারুক (২৭) ওরফে 'চাপাতি ফারুক' রাত আনুমানিক ১১টার সময় হাতে নাতে ধরা পড়েন স্বেচ্ছাসেবক টিমের হাতে। একই রাতে আনুমানিক ৯টার সময় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় আরও একজনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রথমে মৃধাকান্দি এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের দুর্গাপ্রসাদ গ্রামের জাকিরের ছেলে রবিন (২৫) সাধারণ মানুষ ও সোনারগাঁ থানা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার হন। ডাকাত সন্দেহে আটক ওমর ফারুক নিজেকে ইয়াবা বড়ি পাচারকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুজনেই সোনারগাঁ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
জানা যায়, সদ্য যোগদানকারী অফিসার ইনচার্জ মুহিব্বুল্লাহ ও তার সোর্সেরা মধ্যরাতেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ অফিসার ইনচার্জ মো. মুহিব্বুল্লাহ। রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা শিল্প নগরী মেঘনা সেতুর অদূরে সিএনজি অটোরিকশায় আগুন লাগিয়ে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সময় সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আনসার ভিডিপি ও পুলিশ বাহিনীর হাতে দুই ডাকাত আটক হন।
মধ্যরাতেও শীতকালে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সদের নিয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ ও তার পুলিশ বাহিনী জনগণের জানমালের হেফাজত, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে অবিচল রয়েছেন। দশটি টিমের মহাসড়কের মেঘনা সেতু থেকে কাঁচপুর সেতু পর্যন্ত প্রতিনিয়ত ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। আটক আসামিদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে নিয়মিত মামলার আসামি করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :