ভৈরবে হোল্ডিং ট্যাক্স ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও উন্নয়ন স্থবিরতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

জয়নাল আবেদীন রিটন , ভৈরব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:১১ পিএম

ভৈরবে হোল্ডিং ট্যাক্স ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও উন্নয়ন স্থবিরতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভায় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং পৌরসভার স্থবির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও সর্বস্তরের জনসাধারণ। ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় এলাকার নূরানী মসজিদের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল হক জয়, গণঅধিকার পরিষদের নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল, সমাজকর্মী এন কে সোহেল, জাতীয় নাগরিক পার্টি ভৈরব উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল ও ডালিয়া বেগম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা পৌর প্রশাসকের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখেন, কাদের পরামর্শে এবং কী উদ্দেশ্যে জনগণের অগোচরে পৌরকর বাড়ানো হয়েছে। তারা বলেন, একজন অনির্বাচিত প্রশাসকের পক্ষে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অযৌক্তিক। পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র না আসা পর্যন্ত কর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। বক্তারা আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে খেটে খাওয়া মানুষের ওপর এই করের বোঝা জুলুমের শামিল। গত ১৭ বছরে নির্বাচিত মেয়ররা জনগণের ওপর এমন চাপ সৃষ্টি করেননি। অবিলম্বে কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হোল্ডিং ট্যাক্স রি-অ্যাসেসমেন্ট করা বাধ্যতামূলক। উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি জানান, পৌরসভার বার্ষিক বাজেটের একটি বড় অংশ ট্যাক্স আদায়ের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে হোল্ডিং ট্যাক্সের তথ্যে অনেক ভুল রয়েছে, যা সংশোধন করা হলে ট্যাক্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, করদাতাদের আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে এবং আপত্তি শুনানির মাধ্যমে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সিয়াম সরিষা
Link copied!