মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন 

ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন 

স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে দু’দিন ধরে প্রেমিক আল-আমিন(২৩) বাড়িতে অনশন করছেন আয়শা খাতুন (১৭) নামে এক তরুণী। এদিকে তরুণী ছেলের বাড়িতে আসার বিষয়টি টের পেয়ে প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (০৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাগবাড়ী এলাকায় ওই তরুণীকে অনশন করতে দেখা গেছে।
এদিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিকাকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে পরে তা অস্বীকার করছেন প্রেমিক।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিলে কোর্টের শরণাপন্ন হন বলে জানান ভুক্তভোগী ওই তরুণী।
অনশনরত তরুণী হলেন- উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবাড়ী গ্রামের মো. আকবর হোসেনের মেয়ে আয়শা খাতুন এবং অভিযুক্ত প্রেমিক একই ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের মো. বাদশার ছেলে আল-আমিন।
অনশনরত প্রেমিকা জানান, প্রায় তিন বছর আগে বাগবাড়ী জহির তালুকদারের ছেলে মো. বেলালের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের দু’বছর মাথায় শ্বশুর বাড়ি যাওয়া-আসার পথে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তার প্রেমের ফাঁদে পা দেই।
একদিন আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে জামালপুরে সে যেখানে চাকরি করে সেখানে  ৩/৪ দিন যাবৎ আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে।
 জামালপুর থেকে আসার পর বিয়ে করবে বলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে রেখে যায়। অতঃপর সে ফোন না ধরায় আমি বিষয়টি জানালে আমার পরিবার তার পরিবারকে জানায়। তারপর সে ফোনে ভয়-ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আমার সাথে একেবারে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এদিকে স্বামীর সঙ্গে আমার ডিভোর্স হয়ে যায়। পরে অনেকটা বাধ্য হয়েই বিয়ের দাবিতে আল আমিনের বাড়িতে আসি। অনশনরত তরুণী আরও বলেন, তার দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবে এবং দাবি পূরণ না হলে প্রেমিকের বাড়িতেই ফাঁস দিয়ে মারা যাবেন বলেও জানান।
এ বিষয়ে গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল হোসেন চকদার বলেন, বিষয়টি শুনেছি।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে একটি তরুণী অনশন করছে শুনেছি। বিয়ের দাবি এটা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |