বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

পেডোফেলিয়া তথা শিশুকামিতা: একটি মনো-দৈহিক বিকারগ্রস্ততা

পেডোফেলিয়া তথা শিশুকামিতা: একটি মনো-দৈহিক বিকারগ্রস্ততা

নির্দিষ্ট পেশা বা কাজের বাইরে আমরা সবাই চারপাশের ভালো-মন্দ পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হই। পরিবেশের প্রভাব গুলো চরম শক্তিশালী। বর্তমান ও ভবিষ্যতের গতিপথ নির্ধারণ করে থাকে। এখনকার সময়ে বিশ্বায়নের প্রবল গতিতে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র ধাবমান। চাইলেও কোন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র নিজেকে পৃথক বা স্বতন্ত্র রাখার সুযোগ কোন নেই|পরিবর্তনশীল সমাজে মানুষের আচরণে প্রতিদিন বেশ নতুনত্ব পরিলক্ষিত হয়। যেভাবেই ভাবুন না কেন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকে মানব সভ্যতার কল্যাণে গড়ে ওঠা বেশকিছু শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংগঠন মানুষকে অধিকার সচেতন করে তুলছে।

বিগত শতাব্দীর তুলনায় মানুষ এখন অনেক বেশি প্রতিবাদী ও অধিকার সচেতন হয়ে উঠছে। প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ এবং অধিকার সচেতনতার কারণে দিনে দিনে সাম্য, ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার এবং মানবিক মূল্যবোধের সুদৃঢ় ভিত্তি রচিত হচ্ছে। এই অভিযাত্রা থেমে যাওয়ার কোন বিষয় নয়। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এসবের মিছিল সামনের দিনগুলোতে আরো পরিস্ফটিত হবে।

চারদিকে সজাগ সচেন দৃষ্টি রেখে এই পরিবর্তনশীল সময়ে পরিবার ও সমাজ নিয়ে এগোতে হবে আমাদের সকলকে। মানবিক গুণাবলীর মধ্যে সীমাবদ্ধতা বা প্রতিবেশগত কারণে কিছু অপরিচ্ছন্ন নিষ্ঠরতম আচরন সভ্যতার গোড়া হতেই মানব সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে। সাম্প্রতিক সময়ে এরকম কিছু পৈচাশিক আচরণ ও অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজ শিশু নিগ্রহের মতো একটি পৈঁচাশিক নিষ্ঠুরতম আচরণ বা অপরাধ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

যৌনতা হচ্ছে জীবের আদিম প্রবৃত্তি যা টিকে থাকা ও বংশ বৃদ্ধির জন্যই প্রকৃতির গড়া একট সুনিপণ নকশা। যৌন-জীবন হলো জীবন চক্রের স্বাভাবিক এবং অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রক্রিয়া। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মানুষের জীবনে জৈবিক উষ্ণতার এই প্রক্রিয়াটি ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ু ভেদে ১২-১৬ বছর বয়স থেকে শুরু হয়। মানুষের যৌনতা শুধুই শরীরবৃত্তীয় বা বায়োলজিক্যাল বিষয় নয়। এর সাথে রীতি-নীতি, প্রথা, পারিবারিক, সামাজিক, মানসিক এবং সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকে। শৈশব শেষে বয়ঃসন্ধি পেরিয়ে কৈশোরে পা ফেলতেই নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে পরিবর্তনের তীব্রতা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। শারীরিক, জৈবিক, মানসিক ও আচরণে বেশকিছু দৃশ্যমান ও স্থল পরিবর্তন আসে।

পরিবর্তনশীল শিশুটি নিজেকে নিরাপদ সুন্দর সাবলীল রাখতে এবং অভিযোজিত হতে পরিবার ও চারপাশের পরিবেশের সাথে সার্বক্ষণিক মিথস্ক্রিয়া করে থাকে। সামাজিক ও পারিবারিক মিথস্ক্রিয়ায় সবচেয়ে স্পর্শকাতর শ্রেনী হচ্ছে আমাদের এই দ্রুত বর্ধমান শিশুরা। শিশুর শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনটা যেন নিরাপদ নির্বিঘ্ন এবং আদর মিশ্রিত পরিবেশে যত্নশীলতার মধ্যে ঘটে তা নিশ্চিত করা আমাদের পরম দায়িত্ব।এসময় শিশুরা নানা ধরনের অপরাধের শিকার হয়। এই অপরাধ গুলো ট্রমা সৃষ্টি করে ও শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। শিশুর বর্ধনশীল সময়টাতে বিপর্যয় ঘটিয়ে থাকে।

শিশুদের প্রতি প্রচন্ড আকর্ষণ অনুভব করে কিছু বিকৃত আচরণের মানুষ অপরাধজনক স্পর্শে সুখ পেতে চায়। এই স্পর্শে পরিতৃপ্ত না হতে পারলে শিশু ধর্ষণের মতো নিষ্ঠুরতম আচরণ করতে দ্বিধাবোধ করেনা। পৃথিবীর দিকে দিকে হাজারো রকমের ভিন্নতা বৈচিত্র থাকলেও শিশু ধর্ষণ বা উৎপীড়ণ কোন সুস্থ স্বাভাবিক সমাজ, সভ্যতা বা জনপদ সমর্থন করেনা। পেডোফেলিয়া বা শিশুকামিতা একটি বিকৃত নিষ্ঠুরতম যৌনাচার হওয়া সত্বেও হাজারো বছর ধরে এই বিষাক্ত আচরণটি মানব সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে টিকে আছে। এটি মানসিক স্বাস্থের অস্বাভাবিক আচরণ ও অসুস্থতার একটি বহুমাত্রিক বহিঃপ্রকাশ।

আমাদের বর্তমান সমাজে শিশু-কিশোরীদের প্রতি যৌন নিপীড়ন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সমাজে সব শ্রেণির শিশুই কোন না কোনভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। অনুপাতিক হারের সংখ্যায় কন্যাশিশুরা যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে অধিক মাত্রায়। আমাদের দেশের পিতা-মাতা, অভিভাবক, পরিবার ও সমাজ শিশুদের যৌন নিপীড়ন সম্পর্কে মোটেও সচেতন বা ওয়াকিবহাল নয়। নারীদের যৌন নিপীড়নের কথা আলোচনায় এলেও সামাজিক সচেতনতার অভাবে শিশু যৌন নিপীড়ন, শিশুকামিতা বা পেডোফেলিয়ার মতো কুৎসিত নোংরা ব্যাপারটি লোকলজ্জার কথা ভেবে ভেবে লুকোছাপা থেকে যাচ্ছে বরাবর।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে যখনই শিশু ধর্ষণ বা যৌনপীড়নের ঘটনা তদন্ত করেছি তখন অপরাধ প্রমানের জন্য সাক্ষ্য প্রমান সংগ্রহ ও প্রাসঙ্গিক অত্যাবশ্যকীয় কাজের পাশাপাশি নিষ্ঠুরতম আচরণে আসক্ত ব্যক্তির মনো-দৈহিক অবস্থা অনুধাবনের চেষ্টা করেছি অত্যন্ত আন্তরিকভাবে। যারা শিশুদের যৌন উৎপীড়ণ করে আনন্দ পায় তারা পেডোফাইল বা শিশুকামী। আমার কাছে মনে হয় এটি পৃথিবীতে সবচেয়ে হিংস্র এবং জঘন্যতম অপরাধ।

বহুদিন ধরেই শিশুদের ওপর প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে? সমস্যা সমাধানের জন্য বা আদরের শিশুটিকে নিষ্ঠুরতম আঘাত হতে রক্ষার জন্য এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা সমাজের সকলের জন্য জরুরি।

বিশ্বায়নের প্রবল পরিবর্তনের সাথে আমরা যারা তাল মিলিয়ে নিজেকে পরিবর্তিত পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে পারিনি তাদের মধ্যে ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় দেখা দেয়। অনেক শ্রেনীর মানুষ জড়িত থাকলেও পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে এই আচরণটি অধিকমাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। হীনমন্যতা, হতাশা ও অপ্রাপ্তির ব্যর্থতাবোধের কারণে নীতি-নৈতিকতার মানদণ্ডগুলির সর্বব্যাপী বিলুপ্তি এবং মূল্যবোধের অধঃপতন হলো এ-ই ঘৃন্যতম অপরাধের মূল কারন।

বিকৃত যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য অপরাধীরা সব থেকে সহজ টার্গেট হিসেবে বেছে নেয় শিশুদের। কারণ শিশুরা সাধারণত অধিক কৌতুহলী, অপরিনামদর্শী, অবুঝ, অবলা, নিরীহ ও অরক্ষিত। অনেক সময় তাদের উপর কি ঘটছে সেটাই তারা বুঝতে পারে না। তাছাড়া শিশুদের উপর ক্ষমতা প্রদর্শন সহজ এবং প্রতিরোধ থাকেনা। তারা মানসিক শারীরিকভাবে দুর্বল পথবাসী, শ্রমজীবী, দরিদ্র শিশুরা এর শিকার হয়। তেমনি মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত ও শিক্ষিত সমাজে এরকম ঘটনা কম ঘটে না। আপাতদৃষ্টিতে আদরের শিশুটিকে এই নিষ্ঠুরতা থেকে রক্ষার জন্য আমাদের কিছু সতর্কতা সচেতনতা থাকা বাঞ্ছনীয়।

মৃদু আলোতে মুক্তির সরু পথঃ

শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য এই ঘৃন্যতম মনোভাবাপন্ন বিকৃত অপরাধীদের ছোবল থেকে মুক্তিবীহিন অন্য কোন গত্যন্তর নেই। সমাধানের পথে হাটতে থাকলেও এই পথ অনেক দুর। খুব সহজে বা একক উপায়ে সমাধানের কোন রাস্তা নেই। কিছু স্বল্প মেয়াদি, কিছু দীর্ঘমেয়াদি, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নিলে অবস্থার হয়তো খানিকটা পরিবর্তন হতে পারে। এই ধরনের অপরাধের জন্য আইনের মাধ্যমে অপরাধীর কঠোর সাজা নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই। এসব অপরাধের মামলাগুলোর বিচার খুব দ্রুত শেষ করা দরকার। আর সাজাটাও হওয়া উচিত দৃষ্টান্তমূলক। শিশু ধর্ষণের ব্যাপারে যদি আলাদা সেল করা হয় এবং মামলার গতি প্রকৃতি বিশেষভাবে তদারক করা হয় তাহলে এ ধরনের অপরাধ অনেকটা কমতে পারে।

অভিভাবকদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশু কোথায় যাচ্ছে, কোথায় খেলছে, তার চারপাশে কারা আছে সেটাও জানতে হবে। পরিবারে শিশুরা যেন মন খুলে কথা বলতে পারে সেরকম বন্ধুত্বপূর্ণ সহজ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। পেডোফাইল এর কথা মনে করে বাবা মায়ের বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে শিশুর দিকে। আত্মীয় প্রতিবেশির মধ্যে যৌন অপরাধী বা শিশুকামী ঘাপটি মেরে লুকিয়ে আছে কিনা। শিশুকে আদর করার ছলে আপনজনেরা হয়তো শিশুকে প্রতিনিয়ত নিপীড়ণ করে যাচ্ছে।

শিশু এই অপরাধজনক আচরণে মানসিকভাবে প্রচন্ড আহত হয়ে থাকে। শিশুদের ভাষা ও বর্ণনাজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা বা কখনো পরিবারে তথা পিতা-মাতা এবং ভাই-বোনদের সাথে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক না থাকার কারণে বুঝিয়ে খুলে বলতে পারে না। আবার অভিভাবক অতিমাত্রায় কঠোর বা মুন্সীয়ানা আচরণের হলে আহত শিশুরা সচেতনভাবে নিপীড়নের বিষয়ে নিরবে সহ্য করে গোপন রাখে। তবে এবিষয়টি শিশুটির মানসিক বিকাশে প্রচন্ড বাধা সৃষ্টি করে থাকে।

এছাড়াও আরো একটি বিষয় হলো যৌন পীড়নে শিশুটি কোনরূপ আরামবোধ করে থাকলে বা শিশুর পছন্দের কোন খেলনা, খাবার এবং পোশাকের প্রলোভনে ফেলে আগ্রহী করে তুললে অভিভাবক ও পরিবারের সকলের চোখের আড়ালে শিশুটির মধ্যে বেপরোয়া আসক্তি তৈরি হয়। প্রচন্ড আগ্রহে নিপীড়িত শিশুটি বারবার স্বেচ্ছায় তা পেতে চাইবে। এই নিষ্ঠুরতম আচরন ও নিপীড়ন থেকে আদরের শিশুটিকে রক্ষা করে স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে স্কুল ও পরিবার শিশুকে কুস্পর্শের অমানবিকতা এড়িয়ে আত্মসুরক্ষার শিক্ষা দেয়া শুরু করতে হবে এখনই। কোনটা ভাল স্পর্শ, কোনটা খারাপ স্পর্শ সেটার দিকে পরিবারের অন্য সদস্যরা খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের দেশের সামাজিক পরিস্থিতিতে শিশুদের সাথে এসব বিষয়ে খোলামেলা কথা-বার্তার প্রচলন নেই।

এরকম আচরণ বা অপরাধ থেকে বাঁচতে পারিবারিক সুশিক্ষা খুবই প্রয়োজন। মেয়ে শিশুর পাশাপাশি ছেলে শিশুদেরও ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বিরোধী মূল্যবোধ শেখাতে হবে। যাতে বেড়ে ওঠার সময় থেকেই তাদের মধ্যে এ ধরনের সচেতনতা তৈরি হয়। কেননা, মানুষ আজীবন তার পারিবারিক শিক্ষাকেই বয়ে বেড়ায়। উদারনৈতিক, ইতিবাচক মানবিক শিক্ষা ও চেতনার বিকাশ ঘটাতে হবে।

এই সভ্য সমাজে নারীর স্বাতন্ত্র্য, মেধা, বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বকে স্বীকৃতি দিতে হবে। নারী-পুরুষের সমমর্যাদার সুষম সমাজ বিনির্মাণ করতে হবে। মানুষকে মানুষের মর্যাদা দেওয়া, সম্মান করা, বিনীত থাকা, আত্মকেন্দ্রীকতা থেকে বেরিয়ে এসে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর রীতি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনাচরণে তার প্রতিফলন থাকতে হবে। নিপীড়িত শিশুর অভিভাবক প্রকাশ করতে লোকলজ্জায় কাতর হয়ে পড়েন। ধর্ষক বা নিপীড়নকারীর অভিভাবক বা পরিবারের সদস্য হওয়া তারচেয়ে বেশি লজ্জার বা অপমানের হওয়া উচিত। পেডোফাইল বা শিশুকামিতার মতো চরম পৈচাশিক পশুত্ব যিনি লালন-পালন করেন বা এরকম নিষ্ঠুরতায় আসক্ত মানুষটিও আত্মশুদ্ধি অর্জন করা জরুরি। আপনার চার-পাশে কেউ ধর্ষক বা নিপীড়নকারী বা শিশুকামী হিসেবে বেড়ে উঠছে কিনা তা দেখে রাখাও আমাদের পরম দায়িত্ব।

পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে শিশুরা পরম পবিত্র ফুটন্ত ফুল। এ ফুলের বর্ধন, বিকাশ ও সঠিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার পথকে মসৃণ করে দেয়ার দায়িত্ব এই সমাজের রাষ্ট্রের। কিন্তু আজ ঘটছে তার বিপরীত ঘটনা। শিশুদের প্রতি ঘৃন্যতম অপরাধ সামাজিক অবক্ষয়ের চরম বহিঃপ্রকাশ। শিশু নিগ্রহের ঘটনা দেখলেই মনে হয় বিকারগ্রস্ত সমাজের গায়ে ফুটে ওঠা বিষ ফোঁড়া ফেটে গলগল করে বেরিয়ে আসছে দুষিত পুঁজ, তারই লক্ষণ এইসব বিকারগ্রস্ত যৌন আচরণ ও শিশুকামিতা। অভিভাবক, পরিবার, সমাজ, শিশু সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা, স্কুল কলেজ, এবং পাড়ার তরুণ-যুবক সবাইকে সম্মিলিতভাবে এই অপরাধ ঠেকাতে ও মূলোৎপাটনে এগিয়ে আসতে হবে।

সমূলে বদলাতে হবে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি। মুখ থুবড়ে কাঁদবে মনুষত্ব্য, মানবিকতা কোনভাবেই এমনটা চাই না। সভ্যতার আড়ালে অসভ্যতা লুকিয়ে থাক, এমনটা হতে দেয়া যায় না। পরিবর্তন দরকার, আর সেটা হতে হবে এখনই। চলো বদলে যাই, বদলে দিই।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |