মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
মাহমুদুল হাসান রতন: শতকণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ এবং ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে ছায়ানট (কলকাতা) -এর উদ্যোগে পরিবেশিত হয়। পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন ছায়ানট (কলকাতা) -এর সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। আপামর বাঙালির প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবর্ষে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এবং ছায়ানট (কলকাতা) – যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নজরুলের চতুর্থ মুদ্রিত কাব্যগ্রন্থ ‘ভাঙার গান’ – এর শতবর্ষে, ছায়ানট (কলকাতা) – এর বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য ‘শতবর্ষে ভাঙার গান’ নামাঙ্কিত মূল্যবান ক্যালেন্ডারটি এই অনুষ্ঠানে মিউজিয়ামের কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই ক্যালেন্ডারের প্রতিটি পাতায় থাকছে ‘ভাঙার গান’ সম্পর্কিত মূল্যবান তথ্য , সাথে নজরুলের জীবনের বিভিন্ন বয়সের অসাধারণ সব ছবি।
মূল ভাবনা ও তথ্য-সংগ্রহে: সোমঋতা মল্লিক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুকন্যা রায় এবং শেখর দে। শতকণ্ঠে নজরুলের দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনার পাশাপাশি শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে নজরুলের কবিতা উচ্চারণ সকলকে মুগ্ধ করে। অরণ্য স্পন্দন ভদ্র, রাজরূপা ভঞ্জ চৌধুরী, আজিম মন্ডল, আর্যদ্যুতি ঘোষ ও অর্ঘ্যদ্যুতি ঘোষের পরিবেশনা অনুষ্ঠানে অন্য মাত্রা যুক্ত করে। এছাড়াও কবিতা আবৃত্তি করেন দেবযানী বিশ্বাস, ড. কল্লোল বসু, ইন্দ্রাণী লাহিড়ী, সুকন্যা রায়, পারমিতা বিশ্বাস এবং নমিতা ধারা। সমবেত সঙ্গীত ও কবিতায় অংশগ্রহণ করেন সুপর্ণা দে এবং শেখর দের নেতৃত্বে অনুভব পর্ণশ্রী সাংস্কৃতিক ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থার শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষ হয় ঠাকুরপুকুর চিদানান্দ ডান্স একাডেমির সমবেত নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে, পরিচালনায় ছিলেন প্রেরণা গঙ্গোপাধ্যায়। সোমঋতা মল্লিক বলেন, “এই বছর আমরা উদ্যাপন করব আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী।
তাই শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বছরব্যাপী আমরা কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় শতকণ্ঠে নজরুলের দেশাত্মবোধক গানের অনুষ্ঠান করব। সবাই যেভাবে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আমরা সত্যিই আপ্লুত। যদিও আমরা শতকণ্ঠের কথা উল্লেখ করেছি, কিন্তু প্রায় ২৫০ জন শিল্পী আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা নজরুল চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”