মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে আজ বুধবার শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল গণমাধ্যমকে বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার মতো পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ এলাকার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর পর, তা পর্যালোচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে অগ্রাধিকার দেয়া হবে চলমান এইচএসসি পরীক্ষাকে। শিক্ষামন্ত্র বলেন, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারছি না। এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলমান এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করা সরকারের মূল অগ্রাধিকার। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গুলশানে আইনমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে হতাহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কত সেটা বোঝার জন্য শিক্ষাঙ্গন খোলার আগেই সরকারের তরফে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য ও মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ মুহূর্তে হতাহতদের মধ্যে কতজন শিক্ষার্থী, তা নিরূপণ করাটা খুবই কঠিন। তিনি আরও বলেন, আমাদের আগে খুঁজে বের করতে হবে এসব সহিংসতার পেছনে কারা ছিলো। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি না খুললে হতাহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কত তা সঠিকভাবে নিরূপণ করাটা এতটা সহজ হবে না। কোটা সংস্কার আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১৬ জুলাই সারা দেশে স্কুল-কলেজ-মাদরাসা-পলিটেকনিকসহ সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিক্যাল কলেজ, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব কলেজও বন্ধ থাকবে। এদিকে আজ বুধবার (২৪ জুলাই) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে আজ বুধবার শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল গণমাধ্যমকে বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার মতো পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ এলাকার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর পর, তা পর্যালোচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে অগ্রাধিকার দেয়া হবে চলমান এইচএসসি পরীক্ষাকে। শিক্ষামন্ত্র বলেন, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারছি না। এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলমান এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করা সরকারের মূল অগ্রাধিকার।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গুলশানে আইনমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে হতাহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কত সেটা বোঝার জন্য শিক্ষাঙ্গন খোলার আগেই সরকারের তরফে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য ও মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ মুহূর্তে হতাহতদের মধ্যে কতজন শিক্ষার্থী, তা নিরূপণ করাটা খুবই কঠিন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আগে খুঁজে বের করতে হবে এসব সহিংসতার পেছনে কারা ছিলো। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি না খুললে হতাহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কত তা সঠিকভাবে নিরূপণ করাটা এতটা সহজ হবে না। কোটা সংস্কার আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১৬ জুলাই সারা দেশে স্কুল-কলেজ-মাদরাসা-পলিটেকনিকসহ সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিক্যাল কলেজ, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব কলেজও বন্ধ থাকবে।

এদিকে আজ বুধবার (২৪ জুলাই) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |