মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
মোস্তফা কামাল , চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি আবাসিক হল শাহ্ জালাল ও শাহ্ আমানতে প্রক্টোডিয়াল বডির নেতৃত্বে পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে। এ অভিযানে পাঁচজনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। চবির শাহজালাল হল ও শাহ আমানত হলে প্রশাসনের অভিযান শুরু হয় শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এ অভিযান।
চবি ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যেকার সংঘর্ষের পরদিন প্রশাসন এই অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে শুক্রবার বিকেলে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় সিক্সটি নাইন ও সিএফসির নেতাকর্মীরা। ওই ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছে। বিকাল থেকেই ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার বলেন, অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে আমরা অভিযান চালিয়েছি।
এ পর্যন্ত পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনো তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আর হল থেকে কিছু লোহার রড, ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, হাটহাজারী উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার আবু রায়হান, চট্টগ্রামের ক্রাইম শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যগণ।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে চবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও সিএফসির নেতা শরীফ উদ্দিন বলেন, বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষার্থী ও সিক্সটি নাইনের অনুসারী আকিব জাবেদ নেশা করে আমাদের শাহ-আমানত হলের সামনে এসে আমাদের নেতা মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল ভাইয়ের নামে উল্টাপাল্টা কথা বলে থাকে। তখন আমাদের ছোট ভাইরা তাকে এসব করতে নিষেধ করলে সে তাদের সাথে মাতলামি শুরু করে। এরপর কথা কাটাকাটির জের ধরে ঘটনা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
শুক্রবার যে দুটি হলে চবি প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে এর মধ্যে শাহ আমানত হলে চবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি মির্জা খবির সাদাফের নেতৃত্বাধীন সিএফসি গ্রুপের আধিপত্য রয়েছে। অন্যদিকে শাহজালাল হলে আধিপত্য রয়েছে সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী সিক্সটি নাইন গ্রুপের।