এ সময় র্যালিতে প্রক্টর ড. মো. কামাল হোসেনসহ শিক্ষকবৃন্দু,বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল্লাহ,সকল বিভাগের শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।র্যালি শেষে স্বাধীনতা চত্বরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেক কাটেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে কালার ফেস্ট ও ফ্ল্যাশমবের আয়োজন করা হয়।
আনুষ্ঠানিক ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স জীবন শেষ হলো অদম্য’১৮র।অনেকের অনেক রকম অনুভতি রয়েছে।অনুভূতির কথা জানতে চাইলে পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিভা কুন্ডু বলেন,মনে হচ্ছিল এন্ট্রান্স ডে তে ফিরে গিয়েছি। ৫ বছরের বেশি কেটে গিয়েছে। পরিচিত মুখ গুলো আর প্রতিদিন দেখা হবে না এটা ভাবলেই কেমন অদ্ভুত এক দুঃখ কাজ করছে। তবে জুনিয়র সিনিয়র ব্যাচমেট নিয়ে পুরো প্রোগ্রাম জুড়ে খুবই আনন্দ করেছি।বার বার মনে হচ্ছে যেন, সবার সাথে পরিচিত হবার আগেই চলে যাচ্ছি।
লোকপ্রশাসনের বিভাগের ৩য় ব্যাচ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ হাবিবুল্লাহর কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি খুবই আনন্দিত যে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ সমাপ্ত করতে পারলাম,বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিক্ষক -সহপাঠী সবার সহযোগিতা পেয়েছি এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এছাড়াও অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রাতে বিশেষ চমক হিসেবে লালন ব্যান্ডের পরিবেশনা পরিবেশিত হয়।