বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সমাজের মাধ্যমে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট সোনার বাংলা গড়তে চায় আওয়ামী লীগ। এবারের ইশতেহারের স্লোগান রাখা হয়েছে ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’। আর এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব।
বুধবার ইশতেহার প্রকাশের আগে একটি ভিডিও চিত্রে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলা হয়, শেখ হাসিনা বদলে দেন নীতি, আসে অর্থনৈতিক ক্ষমতা। আসে নারীর ক্ষমতা। ডিজিটাল বাংলাদেশ তারুণ্যকে দিলো ক্ষমতা।
তিনি মহামারী মোকাবেলায় নির্ভীক। তিনি কঠোর জঙ্গিবাদ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, মানবতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে। তিনি সামনে তাকান বলেই আমরা দেখি স্মার্ট বাংলাদেশ। যে যেখানে লড়ে যাই, হতে চাই উন্নত। আমরা জানি, লিডারশিপ ম্যাটারস, শেখ হাসিনা ম্যাটারস।
ভিডিও চিত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, কূটনৈতিক সাফল্য, মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নে গত তিন মেয়াদে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা হয়। হোটেল সোনারগাঁওয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পর ওই ভিডিও দেখানো হয়। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা এসময় দর্শক সারিতে বসে ভিডিওটি দেখেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, পঁচাত্তরের বিয়োগান্তক ঘটনা, ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার লড়াই, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন থেকে শুরু গত দেড় দশকে টানা তিনবার ক্ষমতায় থেকে সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়। টানা তিন মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করা আওয়ামী লীগ প্রায় ১২ কোটি ভোটারকে সামনে রেখে এ ইশতেহার প্রণয়ন করেছে।
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য, দুর্নীতি রোধ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবারের ইশতেহারে। বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ১১টি বিষয়ে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা সম্বলিত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘দিন বদলের সনদ’। এরপর ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ছিল ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’। ২০১৮ সালে একাদশ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটির ইশতেহারে স্লোগান ছিল, ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’।