মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

পুলিশের কষ্টগুলোও গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের

পুলিশের কষ্টগুলোও গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের

পুলিশের কষ্টগুলোও গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের

নিজস্ব সংবাদদাতা: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, ‘রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের শরীরের চামড়া পুড়ছে… অথচ কোন ট্রাক ড্রাইভারের কাছ থেকে কোথায় কোন পুলিশ সদস্য কত টাকা চাঁদা নিলো; তা গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়।’ পুলিশের কষ্টের বিষয়গুলো-ও গণমাধ্যমকে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। অবশ্য সম্প্রতি অনেক সাংবাদিক পুলিশের বিভিন্ন কষ্টের বিষয় তুলে ধরছেন বলেও উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার।

মঙ্গলবার (২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে নিউ মার্কেট এলাকার নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিদুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের ভালো ও মানবিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রধান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ৩৩ সদস্যকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘নিউমার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য পরাণসহ রমনা বিভাগের ডিসির যে মানবিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা নতুন কিছু নয়। এটা আমাদের অতীতের ধারাবাহিকতার অংশ। ৭১ থেকে ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে দেশ মাতৃকা রক্ষায়। দেশের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয়। আমরা ম্যানেজমেন্ট লেভেলে যারা বসে আছি তাদেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। দেশ মাতৃকার কল্যাণে কাজ করা পুলিশ সদস্যদের পাশে থাকা, তাদের সাহস দেওয়া, তাদের অনুপ্রেরণা দেওয়া— তা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমি সেই কাজটি করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নিউ মার্কেট এলাকার নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের দিনের বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘সেখানে যেদিন আগুন লাগে, সেদিন আমাদের সদস্যরা এক হাতে বাঁশি এবং কাঁধে জিনিসপত্র নিয়ে ভবন থেকে নিচে নেমে আসা ডিএমপি পুলিশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। যারা সেদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাদের সামান্য কিছু পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। এটা দিয়ে তাদের নতুন ঘর-বাড়ি উঠবে না, এক সেট ভালো পোশাকও কিনতে পারবেন না; এটা হলো তাদের কাজের উৎসাহ দেওয়া। বাকি সদস্য যারা আছেন, তারা যাতে মনে করেন— ভালো কাজ করলে সবাই এ ধরনের উৎসাহ পাবেন।’

পুলিশের অবদান অনুধাবন করায় নাগরিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘অনেক সম্মানিত নাগরিক পুলিশের অবদান স্বীকার করেন না, পুলিশের অবদান মানতে চান না। এটা আমাদের জন্য অনেকটা কষ্টদায়ক, দুঃখজনক। পুলিশ পাহারা দেয় বলেই আপনারা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন।’ নাগরিকদের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |