মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন

শোকের মাসে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

শোকের মাসে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

শোকের মাসে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

জাহিদ হাসান, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ পঁচাত্তর এর ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ আগস্ট (বুধবার), অত্র কলেজের মুক্তির সনদে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে সূচনা হওয়া এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহরিয়ার রাহাত মোড়ল, সভাপতি, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগ।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব একেএম এনামুল হক শামীম এমপি, মাননীয় উপ-মন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সিদ্দিকুর রহমান, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এবং বিশেষ আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক মোঃ মোহসিন কবীর, অধ্যক্ষ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাদ্দাম হোসেন, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, মোঃ সোহেল রানা, সাবেক সভাপতি, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগ ও আব্দুল ওয়াদুদ খাঁন শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগ।

আরও উপস্থিত ছিলেন সোহরাওয়ার্দী কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমিন, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ সহ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী। এদিন দুপুর ৩ টায় সোহরাওয়ার্দী কলেজ অডিটোরিয়ামে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়।

এরপর সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম আশিক এর সঞ্চালনায় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে এবং অতিথিগণ বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী এমপি জনাব একেএম এনামুল হক শামীম শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধাভরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদদের স্মরণ করেন এবং বলেন, “বঙ্গবন্ধু একটি জাতিকে একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন, একটি স্বাধীন পতাকা দিয়েছেন।

তিনি সবসময়ই পরাধীন জাতির স্বাধীনতার কথা ভেবেছেন তাইতো জীবনের অর্ধেক সময় কাটিয়েছেন কারাগারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষানীতি সর্ম্পকে আলোচনার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্ত করবার জন্য যেকোন প্রকার অপশক্তির বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।” বিশেষ আলোচক এর বক্তব্যে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ মোহসিন কবীর বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সমগ্র বাংলাদেশে একটি স্লোগানই বেজে উঠেছিল তা হল এক মুজিব লোকান্তরে লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে।

সমস্ত বাঙালি তরুণেরা গর্জে উঠেছিল মুজিব হত্যার বদলা নেওয়ার জন্য। সেদিন শেখ মুজিবকে স্বপরিবারে হত্যার পর দেশ আবারও সেই পাকিস্তানি গণতান্ত্রিক ধারায় চলতে শুরু করে।” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, “আজকে যে মেধাভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি এবং সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন পাচ্ছি এটি কিন্তু রাতারাতি হয়নি।

এজন্য ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে লড়াই করতে হয়েছে, সংগ্রাম করতে হয়েছে, রক্তঝরাতে হয়েছে। বিশেষ করে জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে তিনি বই, খাতা, কলম পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ছাত্র আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।

” আলোচনা সভার সভাপতির বক্তব্যে শাহরিয়ার রাহাত মোড়ল বলেন, “বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারিরা ছিলো ক্ষমতা লোভী, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর পরেই রাষ্ট্রপতির আসনে বসেন সেই খুনি মুসতাক। আমি৷ আরও বলে দিতে চাই আমরা আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্ত করতে শরীরের একবিন্দু রক্ত থাকতে কারো সাথে আপস করবো না, কাউকে ছাড় দিবো না।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |