জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ায় সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য, মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার ধাপে ধাপে আগামী ৫ বছরে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে।
তিনি আরও বলেন, “জনগণ ও দেশের জন্য কাজ করবে—এমন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।” প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী মাসের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমও শুরু করবে সরকার।
সরকার নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশবাসীকে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আজ বাস্তবায়িত হলো। তিনি বলেন, এই কার্ড নিয়ে রাজনীতি বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড আজ স্বপ্ন নয়। ফ্যামিলি কার্ড আজ সবার দোরগোড়ায়। এটি একটি ভরসার নাম, আস্থার নাম।”
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে ভাতা দেওয়া হবে। ভাতার টাকা উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাবে। পরিবারগুলো ঘরে বসেই ভাতা পাবেন।
প্রথম পর্যায়ে আপাতত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :