ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এলাকায় সংকীর্ণ জলপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহে বিঘ্ন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কিন্তু এই অচলাবস্থার কারণে ঐ এলাকায় আটকে পড়া অন্তত ২ হাজার জাহাজে থাকা হাজারো নাবিকের শোচনীয় অবস্থা নিয়ে খুব কম তথ্যই জানা যাচ্ছে।
চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে এ পর্যন্ত ২১টি হামলার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা বা আইএমও জানিয়েছে, এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ১০ জন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং আরো বেশ কয়েক জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোর উপকূলে নোঙর করে থাকা জাহাজগুলোতে ২০ হাজারেরও বেশি নাবিক অবস্থান করছেন। আইএমওর তথ্যমতে, এসব জাহাজে খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ ফুরিয়ে আসছে।
দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় নাবিকরা চরম ক্লান্তি ও তীব্র মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজ বলেছেন, ‘এই সংকট সমাধানে বিচ্ছিন্ন কোনো পদক্ষেপ আর যথেষ্ট নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে এবং জাহাজগুলোতে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ‘মানবিক করিডোর’ গড়ে তুলতে জরুরি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
—বিবিসি
আপনার মতামত লিখুন :