বিশ্ববিদ্যালয়সহ তেহরানের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক হামলা

অনলাইন ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর থেকে ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেহরানের শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর একটি গ্যাস স্টেশনও ছিল। বিবিসি ফার্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

হামলার পর পাওয়া ছবিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে প্রচণ্ড ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে । 

তেহরানের ৯ নম্বর জেলার মেয়র ঘোষণা করেছেন, সকালে শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গ্যাস স্টেশনে হামলার পর শরিফ এলাকার গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব এলাকা আক্রান্ত হয়েছে, তার মধ্যে ইনফরমেশন টেকনোলজি সেন্টার ভবন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদও রয়েছে। 

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। 

ভাহিদ অনলাইনকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে একদল যুদ্ধবিমান বোরোজের্দ শহরের উপর দিয়ে নিচু উচ্চতায় উড়ে যায়।

সেখানকার একজন বাসিন্দা বলেছেন, প্রতিদিন রাতেই আমরা কয়েকটি যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনি, কিন্তু আজ রাতে এই শব্দ অন্তত পাঁচ গুণ বেশি ছিল।

সোমবার সকালে শিরাজ শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর এবং যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনার বিষয়েও খবর পাওয়া যাচ্ছে। কওম শহরের কয়েকজন বাসিন্দাও জানিয়েছেন, সোমবার রাত ১টার দিকে শহরের কিছু এলাকাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। 

কওম প্রদেশের উপ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিচালকও জানিয়েছেন যে, শহরের একটি আবাসিক এলাকা হামলার শিকার হয়েছে। তিনি নাগরিকদের ঘটনাস্থলে ভিড় না করার অনুরোধ করেছেন। 

ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি করার জন্য ইরানকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়ার পর আজ তেলের দাম বাড়তে দেখা যাচ্ছে। রোববার ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে বলেছেন, মঙ্গলবার ইরানে সবকিছু গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে।

তিনি অবশ্য ফক্স নিউজকে বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন সোমবারের মধ্যে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্ভব। 

তবে ইরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।

Link copied!