ক্ষমতায় এলে নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে তরুণদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—তরুণরাই হবে বাংলাদেশের ‘ক্যাপ্টেন’ আর প্রবীণরা থাকবে সহযাত্রী হিসেবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সন্ধ্যায় বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ভাষণে ডা. শফিকুর রহমান ধর্মীয় সহনশীলতার বিষয়ে বলেন, কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কারও ওপর আঘাত বা নিপীড়নের চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সব ধর্মের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাকে জামায়াতের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘সততা, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে 'হ্যাঁ' বলুন; আর দুর্নীতি, আধিপত্যবাদ ও চাঁদাবাজিকে 'না' বলুন।’ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, বিচারবিভাগকে আমূল সংস্কার করতে হবে। সৎ, দক্ষ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের বিচারকের আসনে বসাতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ প্রকৃত বিচার পায়।
দেশ গঠনে ধর্মীয় সংগঠনগুলোর ভূমিকার কথা তুলে ধরে তাবলীগ জামায়াতের কর্মীদের নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন কাউকে অন্যায়ভাবে বিভিন্ন ‘ট্যাগ’ দিয়ে হত্যা বা নিপীড়নের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
প্রবাসীদের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের অধিকার রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা হবে। কেউ প্রবাসে মৃত্যুবরণ করলে সম্মানের সঙ্গে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে।
ভাষণের শেষাংশে নির্বাচনী প্রচারণাকালে জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মীর আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান জামাতের আমির।
আপনার মতামত লিখুন :