ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পার্বত্য তিন জেলা—বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি—সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন লড়াকু নেত্রী উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় লীনা জেলার নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক মহলের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
স্থানীয় নেতাদের মতে, পার্বত্য তিনটি সাধারণ আসনের দুই প্রতিনিধি বর্তমানে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের। তাই পাহাড়ি-বাঙালি ভারসাম্য ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত নারী আসনে একজন দক্ষ বাঙালি নেত্রী প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, বান্দরবান থেকে একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে ১৯৯১ সালে মারমা সম্প্রদায়ের নেত্রী মা ম্যাচিং নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে বান্দরবান থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে নতুন কোনো প্রতিনিধি দেখা যায়নি।
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় লীনা জেলা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। রাজনৈতিক দুঃসময়ে মাঠে থাকা এবং সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কারণে পার্বত্য অঞ্চলে তার গ্রহণযোগ্যতা খুবই শক্তিশালী।
লীনা বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের অবহেলিত নারী ও সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে তুলে ধরতে চাই। সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ পেলে পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি, নারী উন্নয়ন ও এলাকার অগ্রগতির জন্য কাজ করব।”
আপনার মতামত লিখুন :