টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা মুক্তা আক্তারকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ছেলে মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে। রোববার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার গজারিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ খবর পেয়ে সোমবার বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত মুক্তা আক্তার উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের প্রবাসী আলহাজ্ব মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গজারিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের প্রবাসী আলহাজ্ব মিয়ার স্ত্রী মুক্তা আক্তার (৩৫) তার ছেলে মুরাদ হাসান ও শিশু কন্যা ইয়ামিনকে (৫) নিয়ে প্রতিদিনের মতো রাতে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় মুরাদ হাসান তার মাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে মরদেহ ঘরের এক কোণে কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখে।
এ ঘটনার পর বাইরে থেকে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ভোরবেলা ছোট বোন ইয়ামিনকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘরে তালা দেখে বাড়ির লোকজন মুক্তাকে না পেয়ে তালা ভেঙে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সোমবার সন্ধ্যায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মুরাদ হাসানকে প্রধান আসামী করে আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযুক্ত মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় পাশ্ববর্তী ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর বাজার থেকে আটক করে পুলিশ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ছেলেটা মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। অনিয়মিত ছাত্র মাদকের টাকা না পেয়ে সে তার মাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘
এ ঘটনায় মামলার মূল আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।
আপনার মতামত লিখুন :