ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত ১৩ মে (বুধবার) দিবাগত রাতে হলের অভ্যন্তরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে চলা হলের ছাত্রীদের গণ-অসুস্থতা এবং হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘স্বাস্থ্য খাতে বাজেট নেই’ এমন মন্তব্যের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, গত ৮-১০ দিন ধরে হলের অসংখ্য ছাত্রী ক্রমাগত পেট ব্যথা, ডায়রিয়া ও বমির সমস্যায় ভুগছেন। ক্যানটিনের অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং পানের অযোগ্য পানিকে এই সমস্যার প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তারা। হলের অন্তত অর্ধশতাধিক ছাত্রী বর্তমানে বিভিন্ন মাত্রায় শারীরিক অসুস্থতার শিকার।
বুধবার রাতে ছাত্রীদের একটি প্রতিনিধি দল সংকট সমাধানের দাবিতে হল প্রভোস্টের সাথে দেখা করতে যান। সেখানে অসুস্থ ছাত্রীদের চিকিৎসার সুব্যবস্থা এবং ওষুধের দাবি জানানো হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, হলের "স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বাজেট নেই"। এই তথ্য জানাজানি হওয়ার সাথে সাথেই হলের সাধারণ ছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
পরে গভীর রাতে হলের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ব্লকের সামনের চত্বরে কয়েকশ ছাত্রী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। তারা সমস্বরে “প্রভোস্টের জবাব চাই, দিতে হবে” বলে স্লোগান দিতে থাকে। অনেক শিক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে প্রতিবাদী স্লোগান দিতে এবং তালি দিয়ে সংহতি প্রকাশ করতে দেখা যায়।
আপনার মতামত লিখুন :