পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বুধবার পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভিও তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এক সপ্তাহের মধ্যে পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের এটি দ্বিতীয় ইরান সফর।
আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কূটনৈতিক বক্তব্যের মধ্যে যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে পাকিস্তান সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তান একটি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিল। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় সেই মধ্যস্থতার কার্যকারিতা সীমিত হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চলমান আলোচনায় ইরান সঠিক জবাব না দিলে ওয়াশিংটন দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
বুধবার (২০ মে) সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমরা ইরান ইস্যুতে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো সমঝোতা না হলে তেহরানের জন্য কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।
ট্রাম্প জানান, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না। তেল রপ্তানিতেও ছাড় দেবে না।
তিনি বলেন, ইরানের কাছ থেকে সঠিক উত্তর না পেলে পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যাবে।
তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সফল হলে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, রক্তপাত ঠেকাতে প্রয়োজনে কিছু সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে পিছিয়ে দিতে তিনি প্রস্তুত।
আপনার মতামত লিখুন :