ভারত সীমান্তে মাদকের কারখানা, বিক্রি হয় বাংলাদেশে : ত্রাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৩ এএম

ভারত সীমান্তে মাদকের কারখানা, বিক্রি হয় বাংলাদেশে : ত্রাণমন্ত্রী

ফাইল ফটো

ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘ভারতে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় অবৈধ মাদকের কারখানা তৈরি করেছে। কিন্তু সেই মাদক তাদের দেশে বিক্রি হয় না, বিক্রি হয় বাংলাদেশে। এটি তাদের পরিকল্পনার অংশ, যাতে বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াতে না পারে, এ দেশের তরুণ-যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যায়।’

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সহরউদ্দিন সরকারি হাইস্কুল মাঠে মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক নির্মূলে ‘আলোকিত লালমনিরহাট আমাদের অঙ্গীকার’ শীর্ষক উদ্বুদ্ধকরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আইনের মাধ্যমে মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক বন্ধ করা সম্ভব নয়। আইনের পাশাপাশি এসবের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশের উন্নয়ন করতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে। আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হলে সর্বপ্রথম মাদক ও জুয়া বন্ধ করতে হবে।’

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। বর্তমানে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও মাদকে আসক্ত হচ্ছে। মাদক নির্মূলে ব্যর্থ হলে দেশ একদিন অতল গহ্বরে ডুবে যাবে।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গিয়ে দেখি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিগত সরকার কোনো কাজই করেনি। মহাপরিকল্পনার জরিপ পর্যন্ত তারা করেনি।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছেন। খরার মৌসুমে তিস্তায় পানি সংরক্ষণের জন্য নতুন একটি ব্যারাজ নির্মাণ করে তিস্তার ১৪টি শাখা নদীর পানি ধরে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, হাতীবান্ধা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন, সদস্য সচিব আফজাল হোসেন মিয়া, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্রসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এর আগে ত্রাণমন্ত্রী হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী সোমা চা-বাগান ও চা ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন। দুপুরে পাটগ্রাম থানা ভবনের নতুন প্রশাসনিক ভবন এবং বিকেলে জগতবেড় ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যা-ভাঙন আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

Link copied!