পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র্যাব। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহানগরের সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন থেকে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন ইউনিটের সদস্যরা সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে এসব এলাকায় সিসি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে।
এদিকে সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়। সে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র্যাব ও সিআইডি টিমও মোতায়েন থাকবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত ও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
একই দিন দুপুরে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দিবসটি ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :