বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শিগগিরই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের দরজা আবার খুলতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের পর মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে কর্মী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
জাহেদ উর রহমান বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কর্মীদের বিমানভাড়াসহ কোনো ধরনের ব্যয় বহন করতে হবে না। সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর জন্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়া সরকার নেপাল ও বাংলাদেশের জন্য ২৫টি করে এবং ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জন্য ১০টি করে রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশের ২৫টি এজেন্সি আগের তালিকাভুক্ত ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে নির্বাচিত হয়েছে। তবে সরকারের অনুরোধে আরও ৩১২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি’ হিসেবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে শুধু ২৫টি এজেন্সির মাধ্যমেই কর্মী পাঠানো যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়।
অতীতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানো নিয়ে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির পাশাপাশি ৩১২টি অ্যাসোসিয়েট এজেন্সিকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি সরকারের দর-কষাকষির (বার্গেইনিং) একটি বড় অর্জন।

আপনার মতামত লিখুন :