মো: সাইফুউদ্দিন চৌ: জুয়েল
আজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অসংখ্য হুন্ডি ব্যবসায়ি। দেশের সব ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং এর আওতায় আসার পরও এখনো কমেনি হন্ডি ব্যবসায়িদের দৌরাত্ম।বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক প্রবাসীদের টাকা অবৈধ ভাবে লেনদেনের মাধ্যমে সরকারের বিপুল টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজেদের গোছিয়ে বিপুল টাকা আয় করছে এসব হুন্ডি ব্যবসায়িরা। এছাড়াও তারা বিভিন্ন দেশ থেকে স্বর্ণের বার প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে দেশে আনছে।চট্টগ্রাম বেশ কয়েকটি উপজেলা এবং কিছু এলাকা থেকে নেওয়া আইন-শৃংখলা বাহিনীর তথ্যমতে এখনো অসংখ্য হন্ডি ব্যবসায়ি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চট্টগ্রামে ।
তারা প্রতি নিয়ত কোটি কোটি টাকা অবৈধ ভাবে লেনদেন করে সরকারের বিপুল টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে একই সাথে হন্ডি ব্যবসার আড়ালে চালাচ্ছে আরো অনেক অবৈধ লেনদেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বাড়ি ভরা পুকুর মসজিদ ,কুয়াইশ ,নজুমিয়ার হাট, হাটহাজারী চট্টগ্রাম জেলার সব চেয়ে বড় হন্ডি ব্যবসায়ি মোহাম্মদ কামালউদ্দিন (প্রকাশ কামাল), তার সব চেয়ে বিশস্ত হিসাবে কাজ করেন ইয়াছিন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন, রাউজান এই চক্রের সাথে আরও অনেকেই জড়িত আছেন বলে জানা যায় । মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন হন্ডি ব্যবসায়ী গ্রামের সাধারণ মানুষের টাকা পাঠাবে বলে এক থেকে দেড়শ কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
মানুষ তার বাড়িতে যোগাযোগ করলে, তারা জানান কামাল দেশে নেই দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের একটা টিম গোপন সূত্রে জানতে পারে চট্টগ্রাম মুরগি ফার্ম ঝাউতলা একটা বাসা নিয়ে অবস্থান করছে , এবং তিনি প্রায় সময় দুবাই আসা যাওয়া করেন । এই সব প্রত্যারক হন্ডি ব্যবসায়ী চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে অনেক লোক নিৎস হয়েছে, মোহাম্মদ কামাল কে মোবাইলে কল দিলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।এদিকে টেকনাফ এবং উখিয়া উপজেলার প্রায় ৪০ জনের বেশি হুন্ডি ব্যবসায়ির তালিকা করেছে সরকার। ইতি মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনার ও প্রকৃয়া শুরু হয়েছে বলে জানান আইনশৃংখলা বাহিনির কর্মকর্তারা।এদিকে এক সময় হন্ডি ব্যবসা শুধু মাত্র বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর মধ্যে সিমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ইয়াবা সহ মাদকের টাকা লেনদেন হচ্ছে এই হন্ডির মাধ্যমে। চট্টগ্রাম জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানান যে প্রতারক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন হন্ডি ব্যবসায়ী ডিবির নজর দারিতে আছে , যেকোনো সময় আটক হতে পারে।