মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
মোর্শেদ মারুফ
প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নামে একজন ব্যক্তি প্রতারণার ফাঁদে। বহুদিন যাবত তাহার পারিবারিক ভাবে কলহ চলে আসতেছিল, তিনি গত ১০/১০/২০২২ ইং তারিখ মহাখালী বাজার মোড়ে ওয়ালে একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পায়, যেখানে লেখা ছিলো “এখানে সকল সমস্যার সমাধান করা হয়”,নিচে একটি নাম্বার দেয়া ছিলো। জনৈক প্রভাত উক্ত নাম্বারে ফোন দিয়ে তাহার সকল সমস্যা বললে ফোনের অপর পাশে থাকা ব্যক্তি তাহাকে আশ্বস্ত করে যে উক্ত ব্যক্তি একজন তান্ত্রিক, তিনি সাভারের অমরপুরে থাকে এবং তিনি বহুদিন যাবত এমন সমস্যার সমাধান করে এসেছেন।
কিন্তু উক্ত সমস্যা সমাধান করতে হলে তাহাকে (প্রভাত) টাকা খরচ করতে হবে। বাদী উক্ত তান্ত্রিককে অন্ধবিশ্বাস করে বিভিন্ন তারিখে সর্বমোট ৩,৯৭,২৫০/- টাকা প্রদান করে। কিন্তু দীর্ঘকাল অতিবাহিত হইলেও উক্ত তান্ত্রিক বাদীর কোন সমস্যা সমাধান না করে বাদীকে হুমকি ধামকি প্রদান করে এবং মহিষ কেনার কথা বলে আরও ৩,৩৫,০০০/- টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে বাদী এই প্রতারনা বুঝতে পেরে সাভার থানার মামলা নং-২৭, তাং-১১/০১/২৩,ধারা-৪২০/৪০৬ পেনাল কোড মামলাটি রুজু করিলে প্রথমে মামলাটি থানা পুলিশ তদন্ত করে। পরবর্তীতে ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মো: আসাদুজ্জামান- পিপিএম(বার) মহোদয় মামলাটির তদন্তভার ডিবি উত্তর ঢাকাকে প্রদান করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিবি, জনাব মোবাশ্শিরা হাবিব খান,
পিপিএম-সেবা মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব), অফিসার ইনচার্জ, ডিবি (উত্তর), ঢাকা এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ একটি চৌকষ টিম সাভার মডেল থানার অমরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ০৩/০৪/২০২৩ ইং তারিখ রাতে ভন্ড তান্ত্রিক-আসামী ১। মোসাঃ আসমানী বেগম শীতা রানী (৭০), পিতা-মৃত আব্দুল ছামাদ, স্বামী-মোঃ তোরাব আলী, সাং- পোড়াবাড়ী, ছোট অমরপুর, বেদে পল্লী, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা এবং তাহার সহযোগী আসামী ২। মোসাঃ শিউলি বেগম (৪০), স্বামী-মৃত কাত্তর মিয়া, পিতা-মোঃ তোরাব আলী, সাং-পোড়াবাড়ী, ছোট অমরপুর, বেদে পল্লী, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকাদের গ্রেফতার করে। উক্ত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। উক্ত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং উক্ত ঘটনায় আরো কারা জড়িত আছে সেই সংক্রান্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।