রেজাউল করিম রেজা: পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আল-মামুন সরকারসহ ২১ জন পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম, হয়রানি এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী শাসনামলে ময়মনসিংহের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হকের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত আল-মামুন সরকার নারায়ণগঞ্জ ও যশোর জেলায় গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি)-তে ওসি ওয়াজ এবং ডিআই-১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তাকে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশে বদলি করে আনা হয়।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের ডিএসবিতে কর্মরত থাকাকালে তিনি বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি করে হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত।
একইসঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও সাজানো ও মিথ্যা প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির এক নেতা সাজ্জাদ অভিযোগ করে বলেন, ডিএসবিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আল-মামুন সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেন। এর ফলে তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হতে হয়।
তিনি দাবি করেন, ওই সময় তিনি প্রায় সাত মাস কারাগারে ছিলেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএসবিতে দায়িত্ব পালনকালে আল-মামুন সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে লটারির মাধ্যমে তিনি নেত্রকোনা সদর থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পান।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আল-মামুন সরকারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :