আমাকে ভুল বুঝিয়ে নিজস্ব বা ব্যক্তিগত কারো কোন স্বার্থ চরিতার্থ করা সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম।
নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাইস-চ্যান্সেলর কেন্দ্রিক একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়। এটি অমূলক কিছু না। একজন ভাইস-চ্যান্সেলর কারো না কারো সাথে পরামর্শ করতেই পারেন। সিন্ডিকেট শব্দটিকে ইতিবাচকভাবে কেউ নেয় না, যদিও সিন্ডিকেট আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রয়েছে। এখন আমিও সিন্ডিকেটের বাইরে না। নিশ্চয়ই আমি কোনো না কোনো সিন্ডিকেটের ভিতর থাকবো। আমার সেই সিন্ডিকেট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন। যে রুলস আছে, এটিই আমার সিন্ডিকেট।
তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি অনেক দিন কাজ করেছি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এমন একটা সময়ে যখন ওয়ান ইলেভেনের সংকটময় সময় চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা আমি কমবেশি জানি, যেহেতু আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ই একজন শিক্ষক। কাজ করতে গেলে বিভিন্ন বিষয় সামনে চলে আসে। কখনো আর্থিক একটু সমস্যা আছে, কখনো সংশ্লিষ্ট কমিটি ঠিকঠাক কাজ করেনি। আমি সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। নতুন কোনো আশ্বাসবাণী আমি দেবো না। আমি চেষ্টা করব কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করার।
এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগের কথা জানান নবনিযুক্ত উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি জানান, আমাদের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় যার হাত দিয়ে প্রতিষ্ঠিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তারও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এখানে রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের যারা শহীদ হয়েছে তাদের ব্যাপারে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, হলের নামকরণ হয়েছে। ইনশাল্লাহ আমাদের প্রধান ফটকের সামনের জায়গায় জুলাই শহীদদের উদ্দেশ্যে একটা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি কার্যকর হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :