যশোরের কেশবপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যকুল গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এলাকার কয়েকটি মৎস্য ঘেরের মালিক দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত সেচ পানি ব্যবহার করে মাছ চাষ করছেন। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন ও কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে মধ্যকুল মধ্যপাড়া ও কায়ন্তপাড়া সংলগ্ন মৎস্য ঘেরগুলোর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানির সঙ্গে ঘেরে জমাকৃত অতিরিক্ত সেচ পানির কারণে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে গ্রামীণ সড়ক ও চলাচলের পথ দীর্ঘ সময় পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। পাশাপাশি কৃষকদের ফসলি জমি ও বিভিন্ন ফলদ গাছ পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘের মালিকরা মাছ চাষের স্বার্থে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটছে এবং এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আবেদনের অন্যতম উদ্যোক্তা মো. আরিফ সরদার জানান, বর্ষা এলেই আমাদের এলাকার রাস্তা-ঘাট পানিতে ডুবে যায়। অনেক সময় বাড়ি থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
কৃষকেরা তাদের ফসল রক্ষা করতে পারেন না। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এলাকাবাসী তাদের আবেদনে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে নিয়মবহির্ভূতভাবে সেচ পানি ব্যবহারকারী ঘের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের আশা, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি ও জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।
এবিষয়ে আরিফ হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি স্বীকার করেন এবং জানান আমি পানি ওঠানো বন্ধ করছি আর ওঠাবো না।
আপনার মতামত লিখুন :