কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের মোঃ মহাবুল ইসলামের স্ত্রী মুন্নি খাতুন(৩০) নিখোঁজের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও কোন খোঁজ না পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধূ মুন্নির মা মুসলিমা খাতুন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মুসলিমা খাতুন নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে মুসলিমা ও মুসলিমার ভাই সুজন আলী বলেন, গত ২৬ মে আমার মেয়ে মুন্নি খাতুন ফোন কলে জানায়, তাকে তার স্বামী মাহবুল ইসলাম প্রচুর মারধর করেছে। পরে আমরা মুন্নিকে আনতে গেলে আমাদের-কেও অপমান করে মাহবুল। আমরা চলে আসলে আমাদের ফোনকলে জানানো হয় মুন্নি ও তার আট বছর বয়সী মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা অনেক।খোঁজাখুজির পরে মুন্নিকেনা পেয়ে দৌলতপুর থানায় নিখোঁজ জিডি করতে গেলে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান জিডি না নিয়ে একটি অভিযোগ দিতে বলেন। অভিযোগ দেওয়ার আজ ১০ দিন অতিবাহিত হলেও আমার মেয়ের কোন সন্ধান আমরা পাই নাই। আমাদের ধারনা আমার মেয়ে মুন্নিকে হত্যা করে তার লাশ গুম করে রেখেছে তার স্বামী পরিবার।
এদিকে এলাকাবাসী ও নিখোঁজ মুন্নি খাতুনের মায়ের পরিবারের লোকজন প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আপনার মতামত লিখুন :