ছাত্রশিবির কর্তৃক গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত গুমের শিকার ভিকটিমদের অবমাননা করা, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ এবং গুপ্ত নেতাকর্মীদের দ্বারা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে অনুষদ ভবনের সামনে থেকে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
এতে শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহবায়ক আবু দাউদ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, সদস্য সাব্বির হোসেন, রাফিজ, নুর উদ্দিন সহ কর্মী উল্লাস, রোকন, মামুন, রনি, স্বাক্ষর, তৌহিদ, রিফাত, অংকন, সীমা, রাকিব ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলে নেতাকর্মীরা জিয়ার সৈনিক, এক হও লড়াই করো; জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ; একশান টু একশান, ডাইরেক্ট একশান; ছাত্রদলের একশান, ডাইরেক্ট একশান; গুপ্তদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও; ধর্ষকের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট একশান; গুমের নাটক করে যারা, দেশ বিরোধী শক্তি তারা; জামাত শিবির জামাত শিবির, গুপ্ত গুপ্ত; একটা একটা গুপ্ত ধর, ধরে ধরে ধোলাই কর; শিক্ষা গুপ্ত, একসাথে চলে না; গুপ্তদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না ইত্যাদি স্লোগান দেন।
মিছিল শেষে শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতার ধর্ষণের অভিযোগ আড়াল করতে গুমের নাটক সাজানোর চেষ্টা এবং এক কথিত প্রেমিকার গর্ভের ভ্রূণ নষ্টের মাধ্যমে মানবজীবন ধ্বংসের অভিযোগ জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রকৃত গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনা ও সংগ্রামকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার, বিকৃত করা কিংবা অবমূল্যায়নের যেকোনো অপচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সত্যকে আড়ালই করে না, বরং প্রকৃত ভুক্তভোগীদের প্রতি চরম অবমাননার শামিল।
তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জোর দাবি জানাই। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংগঠন আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই সত্য গোপন, অপপ্রচার এবং অপরাধ আড়াল করার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক।
আপনার মতামত লিখুন :