মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
জামাল উদ্দীন, ইবি প্রতিনিধি : জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ মে) বেলা ১১ টায় নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্র-উপদেষ্টা ও ওরিয়েন্টেশন প্রগ্রামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সেলীনা নাসরীনের সভাপতিত্বে ও ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। অতিথি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গোপালগঞ্জ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব এবং ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন উপস্থিত ছিলেন।
এসময় উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান নবীনদের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এসো, আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদেরকে পরিবর্তন করি। খারাপ সবকিছুকে বর্জন এবং ভালোকে গ্রহণ করি। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেনো তোমাদের মতো হতে চায়, এমন আদর্শ মানুষ হিসেবে তোমরা নিজেদেরকে গড়ে তোলো। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, সবুজে ঘেরা, পাখির কলতানে মুখরিত এই অঙ্গনে তোমাদেরকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানাই । তোমরা যখন বেড়িয়ে যাবে যেনো আমরা বলতে পারি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমাদের অবস্থানের জন্য আমরা ধন্য। তোমরা যখন ভর্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলে তখন তোমার পিতা-মাতা তোমাদেরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। সব উদ্বিগ্নতা কাটিয়ে যখন তোমরা ভর্তি হলে তোমাদের পিতামাতা তোমাদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। আজ থেকে তোমাদের কমিটমেন্ট হোক, এই স্বপ্নকে তোমরা ভাঙ্গবে না। এসময় দেশ মাটি ও মানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদেরকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আলোচনাসভার পূর্বে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আসন গ্রহণের পর অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। প্রত্যেক ইউনিটের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ২জন করে মোট ৮জন শিক্ষার্থীকে ফুল ও স্যুভেনির এবং পরে নবীনদের সবাইকে রজনীগন্ধার স্টিক দিয়ে বরণ করা হয। সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।