মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন

আশুগঞ্জে ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদকের ‘গডফাদার’ কানা মোশারফ

আশুগঞ্জে ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদকের ‘গডফাদার’ কানা মোশারফ

নিজস্ব সংবাদদাতা :ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আশুগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন ও সরবরাহকারী গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মূল গডফাদাররা। ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের ভয়াল আগ্রাসনে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা শঙ্কিত রয়েছেন। ইয়াবা-গাঁজা, ফেন্সিডিলের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে আশুগঞ্জেও । এ উপজেলার আশুগঞ্জে এমন কোনে গ্রাম নেই যেখানে মাদকের ছোবল হানা দেয়নি।

পুলিশ-র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর অভিযানে ইতোপূর্বে অর্ধশত বিক্রেতাসহ সেবনকারী গ্রেপ্তার হয়। কিন্তু এর নিয়ন্ত্রক গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় মাদকের ছোবল থামছে না।
দেশব্যাপী সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করলেও চোরাকারবারিরা নির্জন পাহাড় ও চা বাগান ও কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মাদকের নিরাপদ রুট হিসেবে বেঁচে নিয়েছে। এ ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তৎপর থাকলেও থামাতে পারছেন না মাদক পাচার। মাঝেমধ্যে কিছু অভিযান পরিচালিত হলে মাদক বহনকারী গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা থাকে ধরাছোঁয়ার বাহিরে।

মাদকদ্রব্যের তালিকায় গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ ইত্যাদি। এসব মাদকের ছড়াছড়ি এলাকায় সুস্থ মানুষদের জীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তাদের স্কুল, কলেজপড়ুয়া সন্তানরা অভিভাবকদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আড়ালে-আবডালে থেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। প্রতিদিন শত শত উঠতি বয়সের যুবক মাদক সেবনের জন্য সীমান্তবর্তী এলাকায় মোটরসাইকেল, কার, মাইক্রোবাস করে চলে আসে।

অভিজ্ঞমহলের অভিমত, অনৈতিক ও অসামাজিক মাদক বাণিজ্য অচিরেই বন্ধ না হলে আমাদের তরুণ সমাজ মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সামিউন্নবী চৌধুরী সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাদক প্রসঙ্গে বলেন, সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের টহল জোরদার রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির অবস্থান জিরো ট্রলারেন্স। মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবি পাশাপাশি প্রত্যেকটি পরিবারের কর্তাকে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |