মনসুর আলম মুন্না, কক্সবাজার: মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার কিছু পর হঠাৎ তীব্র বেগে ছুটলো বাতাস। তারপর দুই ঘন্টা চললো হামুনের তান্ডব। ১৪৮ কিলোমিটার বেগে বয়ে চলা ঘূর্ণিঝড়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই দুমড়েমুচড়ে ফেললো সব। এরপর কক্সবাজার যেনো এক বিধ্বস্ত নগরী। শহরের অলিগলি ঢেকে যায় ভেঙে পড়া গাছের ডালপালায়।
কক্সবাজার শহরে ১৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়ে পৌরসভার মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী , শীগ্রই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক জানান, কুতুবদিয়া মহেশখালীতে অন্তত ৫ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। তিনিও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার কথা জানান। অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানান, জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনঃনির্মাণে সহায়তা দেওয়া হবে। ঘূর্ণিঝড় হামুন চলাকালে দেয়াল ও মাটিচাপায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক মানুষ। ঘুর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, পানি সংকটসহ নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে কক্সবাজারে।