আজিজুল হক(আজিজ)কুতুবদিয়া: সুন্দর্যের অপারলীলা ভুমি সাগর কন্যা দ্বীপ কুতুবদিয়া। শীতকালীন অতিথী পাখির কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে সী বিচ, অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ও অতিথী পাখির কিচির মিচির শব্দ শুনে মুখরিত প্রকৃতি প্রেমিরা,এছাড়া মুগ্ধ হতে পারেন বাতিঘর, বায়ু বিদুৎ, শুটকি মহল ও লবণের মাঠ দেখে,তবে পর্যটকদের কাছে কুতুবদিয়ার চ্যানেল যাত্রা নি:সন্দেহ নান্দনিক।
প্রায় প্রাকৃতির নয়নাভিরাম অপরুপ সৌন্দর্যে আপনাকে বিমোচিত করবে।৬০০বছরের পুরানো এই দ্বীপ,কক্সবাজার জেলার অন্তরগত একটি উপজেলা কুতুবদিয়া,নানা রকম বৈচিত্র্যময় পুর্ণ এইদ্বীপটির মোট আয়তন প্রায় ২১৫.৮০ বর্গ কি.মি,কক্সবাজার জেলা থেকে এই উপজেলার দুরত্ব প্রায় ৭৫ কি.মি,এর উ:-পশ্চিমে ও দ:দিকে সাগর দ্বারা বিস্তত,ধারণা করা হয় এই দ্বীপ সুমদ্র বক্ষ থেকে জেগে উঠে চুতুর্থদশ শতাব্দীর শেষের দিকে,এবং পঞ্ঝাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে মানুষের পদচারণা শুরু হয়,জানা যায় আল্লামা কুতুব উদ্দীন ,আলী আকবর,আলী ফকির (র:)সহ বিভিন্ন সঙ্গী নিয়ে এই দ্বীপে আস্তনা স্হাপন করেন,এবং চট্রগ্রামের আশেপাশে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভাগ্যান্বেশনে উক্ত দ্বীপে মানুষ আসতে শুরু করেন,আগত মুসলমানেরা কুতুবউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধান্তরে কুতুব উদ্দীনের নামনুসারে এ দ্বীপের নাম করন করেন কুতুব উদ্দীনের দিয়া,যা পরিবতীর্তে কুতুবদিয়া নামে স্বীকৃতি লাভ করে।