মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
মনসুর আলম মুন্না (কক্সবাজার): কক্সবাজার সদরে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড উত্তর পেশকারপাড়ায় নিজ সন্তান আবদুল্লাহর স্ত্রী রোকসানা’র মারধরে প্রচন্ড আঘাত প্রাপ্ত হয়ে আব্দুল্লাহর’ মা’ অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় নামিয়া বেগম (৬০) নিজের ছেলেদের খুঁজ খবর নেয়। তার বড় সন্তান আব্দুল্লাহ’ পরিবারের সবার থেকে আলাদা থাকেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে। কিন্তু স্ত্রী অহেতুক নিজের শাশুড়ীকে কোন প্রকারেই সহ্য করতে পারেনা। এরমধ্যে মায়ের খুঁজ খবরোও নিতে দেয়না স্ত্রী রোকসানা। এরমধ্যেই রিষারিষি ঘেঁষাঘেষীতে দিন পার করছেন আব্দুল্লাহর স্ত্রী ও মা নামিয়া বেগমের । দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অস্থিরতার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
রবিবার০ ৮ সেপ্টেম্বর শহরে উত্তর পেশকারপাড়া ৪ নং ওয়ার্ড সন্ধ্যা সাতটা’র দিকে বউ আর শাশুড়ী মিলে তুমুল সংঘর্ষ বাঁধে। এর কারণ হচ্ছে গত তিনদিন আগেও পারিবারিকভাবে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাশুড়ীর বিরুদ্ধে গত ৬ তারিখ কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি এজহার জামা দেয় ছেলের স্ত্রী রোকসানা। কিন্তু এজহারটি তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সজল তদন্ত করতে গেলে বিষয়টি পারিবারিক সমস্যা বুঝতে পেরে দু’পক্ষকে সমাধান করে দেয়ার কথা বলে থানায় আসার একটি তারিখ নির্ধারণ করে দেয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা চলে আসার সাথে সাথেই চলে আসে শাশুড়ীর উপর ছেলের বউয়ের অমানুষিক নির্যাতন।
রোকসানা, তার বোন জুবাইদা,উম্মে হাবিবা, জুবাইদার ছেল সাকিব, হাফেজ,নুরুল মাঝির স্ত্রী’সহ একদল সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে শাশুড়ী নামিয়া বেগমকে ঘরে ঢুকে উপর্যুপরি হামলা চালায় ।এরপর শাশুড়ী প্রচন্ড আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এর পরপরই তার সন্তানরা এবং স্থানীয়রা মিলে ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। অতিরিক্ত আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ ভর্তি করে সিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।
এর মধ্যে নামিয়া বেগমের স্বামী এবং সন্তারা মিলে তাদের ঘরের বউ রোকসানা’র বিরুদ্ধে অমানুষিক অমানবিক নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন জনসম্মুখে। তারা এহেন জল্লাদ স্ত্রী রোকসানার কাছ থেকে পরিত্রাণ পেতে সমস্ত প্রশাসনসহ সকল সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এবিষয়ে শাশুড়ীর পক্ষে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এবিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) সজলের কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার কোন মোবাইল বা সরাসরি রেসপন্স পাওয়া যায়নি।