ইবি কেন্দ্রে গুচ্ছের সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন: ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী উপস্থিত

ওয়াসিফ আল আবরার , ইবি সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত (GST) পদ্ধতিতে ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সি ইউনিটের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এতে উপস্থিতির হার ছিল ৮৮.৫৩ শতাংশ।

শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৪৫৬ জন পরীক্ষার্থীর আসন ছিল, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ২৮৯ জন পরীক্ষার্থী।

এর আগে সকাল ৯টা থেকেই ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে থাকেন। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, রাজবাড়িসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থীদের পছন্দের কেন্দ্র ছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক সহ প্রশাসনের সদস্যরা ছাত্রসংগঠনের বুথ, হেল্প ডেস্ক ও পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিতে হেল্প ডেস্ক বসানো হয়েছে। পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবেই ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষার হল পরিদর্শন করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, “অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আমি কক্ষ পরিদর্শন করে দেখেছি যে সবাই লিখছে, যেহেতু গুচ্ছই শেষ পরীক্ষা। তাদের প্রস্তুতিও ভালো আছে। আশা করি সুষ্ঠুভাবেই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।”

এদিন, সি ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার, র‍্যাব ও পুলিশের টিম দায়িত্ব পালন করেছে। এছাড়াও প্রক্টরিয়াল বডির পাশাপাশি বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করেছেন। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভর্তি পরীক্ষা যেন নকল ও প্রক্সি মুক্ত হয় সেজন্য দিনব্যাপী ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালতের সার্বক্ষণিক নজরদারি।

Advertisement

Link copied!