কুমিল্লায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দ্বিতীয় দিনের শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা সম্পন্ন

আলম চৌধুরী , সিনিয়র রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

কুমিল্লায় বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনের ১৬ এপ্রিল ২০২৬, কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সেবার ব্রতে চাকরি এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলা পুলিশ একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় প্রথম দিনের প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সকাল থেকেই কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কঠোর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই শারীরিক সহনশীলতা পরীক্ষা শক্তি অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে প্রার্থীদের শারীরিক দক্ষতা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ছিল।

২০০ মিটার দৌড় পুশ-আপ লং জাম্প হাই জাম্প প্রতিটি ইভেন্টেই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সাথে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না থাকে।

পরীক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও কুমিল্লা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএম উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন। তিনি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির বা অনৈতিক প্রভাব কাজ করবে না। শুধুমাত্র যোগ্যতা, মেধা ও শারীরিক সক্ষমতার ভিত্তিতেই প্রার্থীরা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবেন।

তিনি আরও বলেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে দালালমুক্ত ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কেউ যদি দালাল বা প্রতারকের মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার আশ্বাস দেয়, তাহলে তা সম্পূর্ণ ভুয়া। প্রার্থীদের এসব প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

এসময় তিনি প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের জন্য মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি বজায় রাখার পরামর্শ দেন এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী দিনের পরীক্ষায় উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে। শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই পরবর্তী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

কুমিল্লা জেলা পুলিশের এমন স্বচ্ছ উদ্যোগ প্রার্থীদের মাঝে আস্থা তৈরি করেছে এবং সাধারণ মানুষের কাছেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

Advertisement

Link copied!