জয় আহসানের ফিট থাকার রহস্য কী?

নিউজ ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০২ পিএম

জয় আহসানের ফিট থাকার রহস্য কী?

ফাইল ফটো

বয়সকে পেছনে ফেলে নিজের সৌন্দর্য-ফিটনেস ধরে রেখে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তবে চিরাচরিত কঠোর জিম বা কঠিন ডায়েট নয়, নিজের ফিটনেস ধরে রাখার পেছনে ব্যতিক্রমী এক অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। জিমের বদলে নিজের তৈরি বাগানে সবজি চাষ ও কায়িক পরিশ্রমই তাকে সুস্থ রাখতে মূল ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।  

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমেক দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়া জানান, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার খুব একটা আগ্রহ নেই। সাধারণত কোনো নতুন সিনেমার শুটিং শুরুর কয়েক মাস আগে প্রয়োজনভেদে পিলাটিজ বা শারীরচর্চা করেন তিনি। তবে ফিট থাকতে দৈনন্দিন কায়িক শ্রমেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এই তারকা। নিজের বাড়ির আঙিনায় মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও তিনি নিজে করেন। মূলত এই ধরনের শারীরিক পরিশ্রমই তাকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।

জয়া বলেন, ‘জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।’

খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রেও নিজস্ব বাগানকে প্রাধান্য দেন এই অভিনেত্রী। নিজ হাতে ফলানো রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি দিয়েই দৈনন্দিন খাবারের পদ রান্না করতে ভালোবাসেন তিনি। তবে মাঝে মাঝে প্রিয় খাবার পিৎজা বা বাইরের খাবার খেলেও তা নিয়ে মানসিক চাপে ভোগেন না জয়া। তার মতে, সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত সতর্কতার চেয়ে মাঝে মাঝে নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করাও জরুরি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগান করা বা মাটির কাজ করা অন্যতম সেরা কায়িক পরিশ্রম। এতে শুধু শরীরের ক্যালোরিই ঝরে না, বরং পেশি মজবুত হয় ও শারীরিক সহনশীলতা বাড়ে। পাশাপাশি খোলা রোদে কাজ করার ফলে শরীরে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি পূরণ হয়। তা ছাড়া প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাজ করলে মানসিক চাপ কমানোর হরমোন সক্রিয় হয়, যা সার্বিক মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।

Link copied!