সেবাদানকারীদের সঙ্গে নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে আমতলী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও এনএসএস'র সহযোগিতায় অ্যাক্টিভিস্তা বরগুনার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জানাগেছে, বন্যা ও জ্বলোচ্ছাস প্রবণ এলাকা উপকুলীয় অঞ্চল আমতলী ও তালতলী। প্রতিবছর বন্যা ও জ্বলোচ্ছাসের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকলে হয় উপকুলীয় অঞ্চলের অন্তত ছয় লাখ মানুষের।
কিন্তু টেকসই বেড়িবাধ না থাকার কারনে উপকুলীয় অঞ্চলের মানুষ বেশ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ফলে তাদের দুর্যোগ ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। এ থেকে পরিত্রাণের লক্ষে মঙ্গলবার অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও এনএসএস'র সহযোগিতায় অ্যাক্টিভিস্তা বরগুনার উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনএসএসের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন পাননার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ সোহেল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. আফজাল হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মো. ফিরোজ আলম, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মো. জসীম উদ্দীন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এবং বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম ও আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন সিকদার। প্রকল্প সমন্বয়কারী মো.মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন
আমতলী সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিক মোঃ হোসাইন আলী কাজী ও আবদুর রহমান সালেহ, কমিউনিটি কনসালটেশনের ফলাফল এবং উপজেলা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ইয়ুথ সদস্য মুক্তা রানী ও ওয়াহিদুল করিম তনু। সভায় বক্তারা বলেন, দুর্বল বেড়িবাঁধের কারণে বসতবাড়ি ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের ব্যয় বেড়ে যায়। আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতার ঘাটতির কারণে জরুরি সাড়াদানে বিলম্ব হয় এবং মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি বাড়ে।
সভায় সরকারী কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ও যুব সদস্যসহ ২০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতে একটি সচেতনতামূলক নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের দাবি নিয়ে একটি গান পরিবেশন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :