মাকে ভরন পোষন না করা,দাবি করা না দিলে ঘর- বাড়ি ভাংচুর, এবং জিবীত মাকে মৃত দেখিয়ে জমির নাম জারি করে নেওয়া সহ মাকে মারপিটের অভিযোগে গতকাল ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন আবেদা আক্তার। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান নয়নকে গ্রেপ্তার করে নেত্রকোনা মঙ্গলবার নেত্রকোনা আদালতে পাঠিয়েছে। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাঁর জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বুধবার বিকেলে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সম্মেলনে আবেদা আক্তার,তার ছেলে বিল্লাল মিয়া, দুই কন্যা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমরা বাঁচতে চাই।মামলা তুলে নিতে আমাদেরকে প্রাননাশের হুমকী দিচ্ছে। আবেদা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, একই গ্রামের সবুজ, কালীম উদ্দিন, ও আশরাফ উদ্দিন আমার কুলাঙ্গার ছেলে নয়নের পক্ষ নিয়ে সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য আমাকে ও আমার অন্যান্য সন্তানদের মেরে ফেলার জন্য হুমকী দিচ্ছে।
আবেদা আক্তারের মধ্যম ছেলে বিল্লাল মিয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের মা জিবীত থাকার পরও মৃত দেখিয়ে আমার ভাই মশিউর রহমান নয়ন আমাদের সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য আমার মাকে মারপিট করে।মাকে ভরন পোষন করে না,।মাদক সেবনের টাকা না দিলে ঘর বাড়ি ভাংচুর করে।এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।কিন্ত নয়নের সহযোগীরা আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে প্রান নাশের হুমকী দিচ্ছে। তারা আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই।বিল্লাল বলেন,আমি এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় বুধবার একটি জিডি করেছি।
আবেদা আক্তারের বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের বড়তলা ধানুয়াপাড়া গ্রামে।কেন্দুয়া থানার ডিউটি অফিসার এস আই ফজলু বলেন, বিল্লাল মিয়া একটি জিডি করেছেন।তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :