মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী মো. রানা মিয়া (২৯)। বুধবার বিকেলে গাজীপুরের হায়দারাবাদ উত্তর-পশ্চিম পাড়ায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানা মিয়া বলেন, গত শনিবার একটি মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ওই মামলায় মাদকের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি দাবি করেন, তার কাছ থেকে কোনো মাদক বা মাদক-সংশ্লিষ্ট উপকরণ উদ্ধার করা হয়নি। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই একটি মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
রানা মিয়া জানান, তিনি মৃত হাজী আহমদ আলীর ছেলে এবং পেশায় ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হায়দারাবাদ উত্তর-পশ্চিম পাড়ায় নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার সামাজিক মর্যাদা, সুনাম ও ব্যবসায়িক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব অপপ্রচারের কারণে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং তার ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে রানা মিয়া তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন তিনি। তবে রানা মিয়ার এসব অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা মামলায় অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :