সোমবার, ১৫ Jul ২০২৪, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

আপডেট
রাতে হঠাৎ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক, উত্তপ্ত ঢাবি তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন সংঘাত যেন না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ দাউদকান্দির শহীদনগর এমএ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কর্ণফুলীতে লালচান্দা বলে বিষাক্ত পিরানহা বিক্রি, প্রশাসনের নজরধারী নেই বাংলা ব্লকেড : সরকারকে শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম পদ্মা নদী ভাঙ্গন রোধে নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করছেন, মোস্তফা মুন্সী  চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান এবং গণপদযাত্রা শুরু বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
স্ত্রীর ভোটও পাননি তিনি

স্ত্রীর ভোটও পাননি তিনি

জেলা প্রতিনিধি, জয়পুরহাট

জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে একটি ভোটও পাননি এমন আটজন রয়েছেন। তারা সবাই সাধারণ সদস্য প্রার্থী। এর মধ্যে এক প্রার্থী তার স্ত্রীর ভোটটিও পাননি।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জয়পুহাটের পাঁচ উপজেলার পাঁচ কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে ফলাফল ঘোষণা শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত ফলাফলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শূন্য ভোট পাওয়া সদস্য প্রার্থীরা হলেন- এক নম্বর ওয়ার্ডে (পাঁচবিবি) ফারুক হোসেন ইব্রাহিম (টিউবওয়েল), দুই নম্বর ওর্য়াডে (সদর) মাসুদ রানা রোজ (অটোরিকশা), তিন নম্বর ওর্য়াডে (কালাই) ছানোয়ার হোসেন ( টিউবওয়েল) ও সিনজুনুর রহমান (উঠপাখি), চার নম্বর ওর্য়াডে (ক্ষেতলাল) এস এম তুহিন ইসলাম তৌফিক (উঠপাখি) ও আজিজুল হক (ক্রিকেট ব্যাট), পাঁচ নম্বর ওর্য়াডে (আক্কেলপুর) গোলাম মোস্তফা (তালা) ও মাহমুদুল হাসান (হাতি)।

জানা গেছে, চার নম্বর ওয়ার্ডে ক্ষেতলাল উপজেলায় সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থী হন আজিজুল হক। তার প্রতীক ছিল ক্রিকেট ব্যাট। এই প্রার্থীর স্ত্রী সাজেদা বেগম ক্ষেতলাল পৌরসভার সংরক্ষিত তিন আসনের (৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) একজন কাউন্সিলর। স্ত্রী ভোটার থাকলেও তিনি তার ভোটটিও পাননি। ভোট গ্রহণের সময় দুপুর ১২টার দিকে সাজেদা বেগম আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বিড়ম্বনার শিকার হন। তার হাতে মেহেদি ছিল। পরে হাত পরিষ্কার করে ভোট দেন তিনি।

জানতে চাইলে সদস্য প্রার্থী আজিজুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার প্রতীক ছিল, কিন্তু নির্বাচন করিনি। এজন্য স্ত্রীও ভোট দেয়নি।

 

স্ত্রী সাজেদা বেগম বলেন, নির্বাচনে দাঁড়ানোর পর দলের (আওয়ামী লীগ) মোট ৩ জন প্রার্থী সাধারণ সদস্য পদে মাঠে ছিল। এজন্য তিনি (আজিজুল হক) ভোট করেননি। তাই আমার ভোটটিও নষ্ট না করার জন্য অন্যত্র দিয়েছি।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী খাজা সামছুল আলম বিজয়ী হয়েছেন। সংরক্ষিত এক নম্বর ওর্য়াডে সাবিনা আকতার চৌধুরী ও দুই নম্বর ওর্য়াডে মিসেস রত্না রশিদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পাঁচটি ওয়ার্ডে আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন, রমজান আলী, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান মিঠু ও মাজহারুল আনোয়ার নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2024 Protidiner Kagoj |