সোমবার, ১৫ Jul ২০২৪, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

আপডেট
রাতে হঠাৎ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক, উত্তপ্ত ঢাবি তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন সংঘাত যেন না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ দাউদকান্দির শহীদনগর এমএ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কর্ণফুলীতে লালচান্দা বলে বিষাক্ত পিরানহা বিক্রি, প্রশাসনের নজরধারী নেই বাংলা ব্লকেড : সরকারকে শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম পদ্মা নদী ভাঙ্গন রোধে নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করছেন, মোস্তফা মুন্সী  চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান এবং গণপদযাত্রা শুরু বসুন্ধরা সিমেন্টের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
নির্ঘুম রাত কেটেছে লিজ ট্রাসের

নির্ঘুম রাত কেটেছে লিজ ট্রাসের

বুধবারই নিজের পরিণতি সম্পর্কে বুঝে গিয়েছিলেন বৃটেনের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। এদিন শেষে রাতটা তার কেটেছে দৃশ্যত নির্ঘুম। রাতের বেশির ভাগ সময় তিনি ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কাছে টেক্সট ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। সেসব ম্যাসেজ পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, তিনি পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। তার বন্ধুরা জেনে যান বৃহস্পতিবারই হতে যাচ্ছে লিজ ট্রাসের শেষ দিন। কারণ, ভোর ৪টার সময় তাদের মোবাইল ফোনের আলো জ্বলে ওঠে। বুধবার ওয়েস্টমিনস্টারে হাউজ অব কমন্সে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ একটি দিন কাটানোর পর তিনি বন্ধুদের কাছে ম্যাসেজ পাঠাচ্ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রেভারম্যানের পদত্যাগ, চিপ হুইপের পদত্যাগের গুঞ্জন- সব যেন কয়েক ঘন্টার মধ্যে তাকে এক অস্থির সময়ে নিয়ে গিয়েছিল। তার একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র বলেছেন, কিভাবে দ্রুততার সঙ্গে সব পাল্টে যেতে থাকে, তা নিয়ে তিনি ব্রিবত হন। তবু তিনি ভেবেছিলেন টিকে থাকতে পারবেন।

একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র বলেছেন, এরপরই টেক্সট ম্যাসেজ আসা শুরু হয়। সকাল পর্যন্ত ম্যাসেজ আসতেই থাকে। তাতে লিজ ট্রাসের মুড পাল্টে গেছে এটাই ফুটে ওঠে। ভোর ৪টার সময় কাউকে টেক্সট ম্যাসেজ করা কখনো কোনো শুভ লক্ষণ হতে পারে না। দৃশ্যত তিনি এটা বুঝাতে চান যে, খেলা শেষ হয়ে গেছে।

দ্রুতই ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরের মুড পাল্টে যেতে থাকে। যেন অন্ধকার গ্রাস করছে। প্রথমেই সামনে আসেন নর্থ ডরসেটের এমপি সিমন হোয়ার। তিনি বলেন, জাহাজ কি আর ঘুরানো যাবে? তবে হ্যাঁ, এখনও তা করতে ১২ ঘন্টা সময় আছে। কিন্তু সরকারের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন পরিবহনমন্ত্রী অ্যান ম্যারি ট্রেভেলিয়ান। কিন্তু তখন লিজ ট্রাসের প্রশাসন ফ্রি-ফল অবস্থায়। তার কাছে চার বার প্রশ্ন করা হয়, লিজ ট্রাস কি কনজার্ভেটিভ পার্টিকে পরবর্তী নির্বাচনে নিয়ে যাচ্ছেন? চারবারই তিনি এ প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

অনেক এমপির চোখে লিজ ট্রাসের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছে ৬ দিন আগে, যখন তিনি চ্যান্সেলর কসি কাওয়ার্টেংকে বরখাস্ত করেন। করপোরেশন ট্যাক্স কর্তনের পরিকল্পনা বাদ দেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2024 Protidiner Kagoj |