মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরুর আগেই রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নে মাঠ পরিদর্শন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টায় তিনি উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের মুন্সিবাজার এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন—গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাস, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম, রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতানুল ইসলাম মুন্নু মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা নাজিরুল ইসলাম তিতাস, জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শাহীন আলম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দারসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পদ্মা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে মুন্সিবাজারের এক পথসভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "নদী ভাঙন আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা এবং স্থানীয় মানুষের দুঃখের কারণ। ভাঙন রোধে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা নানা পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
কৃষি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষকদের কল্যাণে কৃষি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কৃষকরা যাতে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে কৃষি কাজ চালিয়ে যেতে পারেন এবং সরকারি সহযোগিতা সরাসরি পান, সেজন্যই এই উদ্যোগ। সমগ্র বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি ব্লকে এই পাইলট প্রোগ্রাম চালু রয়েছে, যার মধ্যে আমরা গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রামের এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছি।"
তিনি আরও জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০টি জেলায় একযোগে এই কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচির কথা স্মরণ করে বলেন, "শহীদ জিয়ার খাল কাটা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদনে যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল, তা আজও কৃষকদের মনে আছে। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের এলাকার নদী-নালা ও খালগুলো দখল হয়ে আছে কিংবা পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে। বর্তমান সরকার পুনরায় খাল কাটার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করে কৃষি কাজে পানির নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।"
কৃষকদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "কৃষকরা বর্তমানে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তা নিরসনে সরকার জোরালো পদক্ষেপ নেবে। কৃষিই আমাদের আয়ের প্রধান উৎস, তাই কৃষিকে গতিশীল করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।"
আপনার মতামত লিখুন :