গত ১১ মে ২০২৬ তারিখে এস. এ টিভি ও বৈশাখী টিভির অনলাইন সংস্করণে “দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে জনপ্রিয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকা এবং ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মানহানিকর এবং সাজানো।
উক্ত সংবাদে প্রকাশিত বিভিন্ন বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দুই মাস আগে ভাঙ্গা থানার আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ শহীদুল ইসলাম উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় চলমান মামলার বিষয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা আইনগত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
আমরা মনে করি, একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যথাযথভাবে গ্রহণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়াতে একপাক্ষিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মাত্র।
এছাড়া প্রতারক মির্জা সোবেদ আলী রাজা গত দুই বছর ধরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় ময়মনসিংহ আদালতে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে—মামলা নং- ৩৪৯/২৬ এবং মামলা নং- ১০, তারিখ: ১৬/০৩/২০২৬।
প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি।
মোঃ খায়রুল আলম রফিক
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ
আপনার মতামত লিখুন :