জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ১৪ আ.লীগ নেতা কারাগারে

শাহাদুল ইসলাম সাজু , জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০৭ পিএম

জয়পুরহাটে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩ জুন) বিকালে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনিরুল শহীদ মুন্না, জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত,পাঁচবিবি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নূর হোসেন,পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসকে হক, পাঁচবিবি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রতন হোসেন সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নিশাত চৌধুরী, ভাদসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাশির হোসেন, ইউপি মেম্বার পিন্টু হোসেন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম মিলন এবং পুরানাপৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে হত্যা, বিস্ফোরক ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলায় পলাতক ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন জানানো হলে আদালত তা নাকচ করেন।

এ বিষয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় আসামিরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

Link copied!