রাজনীতিতে পদ-পদবি কেবল সাংগঠনিক স্বীকৃতির প্রতীক নয়; অনেক সময় তা হয়ে ওঠে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি পদে মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলের অন্তর্ভুক্তিকে তেমনই এক প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
সেই আনন্দ ও গর্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত এক আন্তরিক ফুলেল শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় জাকির হোসেন উজ্জ্বলকে ফুলেল সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানান ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জেলা পর্যায়ের রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে উজ্জ্বলের পদোন্নতি শুধু একজন নেতার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি মৌলভীবাজার জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্যও একটি গৌরবের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখার ফলেই তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ পিলু, সদস্য সচিব মোফাদ আহমেদ মুরাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ছালেক আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের নেতা আতেফ আকরাম মাহি, যুবদল নেতা রাহাত আহমেদ মনা, রিমন খান, শামীম আহমেদ, রনি আহমেদসহ ইউনিয়ন যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জাকির হোসেন উজ্জ্বল তাদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাওয়া এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি এটি দলের আদর্শ ও সাংগঠনিক লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরও বেশি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার রাজনৈতিক পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি।”
খলিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে জাকির হোসেন উজ্জ্বল আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। একই সঙ্গে তিনি মৌলভীবাজারসহ বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের তরুণ নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সম্ভাবনা ও রাজনৈতিক ভাবনাগুলো জাতীয় পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরবেন বলেও তারা বিশ্বাস করেন।
ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হওয়া এ আয়োজন মূলত একজন নেতার প্রতি তৃণমূলের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ। সেখানে পদ-পদবির আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক, সাংগঠনিক বন্ধন এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের শক্ত ভিত্তি।
আপনার মতামত লিখুন :