কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ভাগুরাপাড়া গ্রামের কৃতী সন্তান ড. মো. হেলাল উদ্দিন চীনের স্বনামধন্য সাউথওয়েস্ট জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্পোরেট ফাইন্যান্সিং, কর্পোরেট গভর্নেন্স ও আর্নিংস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর এ অসাধারণ সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে।
বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। বিশেষ করে আর্নিংস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে তাঁর একাধিক গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে।
ড. হেলাল উদ্দিনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ গ্রামের ভাগুরাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে তিনি গল্লাই আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যান। দীর্ঘ অধ্যবসায়, মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসেবে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে নিজ এলাকা ও দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।
এলাকাবাসী জানান, ড. হেলাল উদ্দিন ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী ও পরিশ্রমী ছিলেন। তাঁর এই অর্জন বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভকামনা প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষানুরাগীরা বলেন, গ্রামের একজন সন্তান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষায় এমন সাফল্য অর্জন করায় চান্দিনা উপজেলার সুনাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও ড. হেলাল উদ্দিন শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবেন।
ড. হেলাল উদ্দিনের এ অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং চান্দিনা উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং সমগ্র এলাকার জন্য গর্বের বিষয়।
আপনার মতামত লিখুন :