কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতেও চলছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে ভিড় করতে দেখা যায় অভিভাবকদের।স্বাস্থ্যকর্মীরা বয়স অনুযায়ী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেন।
রোববার (২৮ জুন) সকাল থেকে দেখা যায়, সারাদেশের মতো ফটিকছড়িতেও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ উপজেলার ৪৮০টি নির্ধারিত কেন্দ্র এবং কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে একযোগে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম। এ সময় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মঈনুল, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু) ডা. জয়নাল আবেদীন মুহুরী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ কামরুল হাসান এবং মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা. আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা শিশুদের বয়স যাচাই করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াচ্ছেন। কোথাও তেমন ভোগান্তি বা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। শিশুদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদেরও ছিল স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম বলেন, “উপজেলার সব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সরবরাহ করা হয়েছে। কোনো শিশু যেন এই সেবা থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত বয়সী শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে এনে ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। কেন্দ্রে আসা কয়েকজন অভিভাবক জানান, প্রতি বছরই তারা সন্তানদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে নিয়ে আসেন। এতে শিশুদের সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা হয় বলে তারা মনে করেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছ থেকে দ্রুত ও আন্তরিক সেবা পাওয়ায় সন্তোষও প্রকাশ করেন তারা।
আপনার মতামত লিখুন :