ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার আলোচিত শিশু নিছামনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মাত্র ৯ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল এবং ২৫ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ায় জেলা পুলিশের ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় তদন্ত কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শুরু হয়। তিনি নিজেই মামলাটির সার্বিক তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, আলামত জব্দ, আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের প্রতিটি ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ঘটনার মাত্র ৯ দিনের মাথায়, ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে মাত্র ২৫ দিনের মাথায় আদালত রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এত অল্প সময়ে তদন্ত, চার্জশিট ও বিচার সম্পন্ন হওয়া দেশের বিচারিক ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
রায় ঘোষণার পর ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, “মামলাটি আমি ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করেছি। তদন্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা পুলিশ ভবিষ্যতেও নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পেশাদার তদন্ত নিশ্চিত করতে একই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
আপনার মতামত লিখুন :