থানা থেকে হাতকড়া খুলে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পলায়নের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৯:১১ এএম

থানা থেকে হাতকড়া খুলে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পলায়নের অভিযোগ

ফাইল ফটো

রাজধানীর পল্লবী থানার হাজতখানা থেকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে মো. শহিদুল ইসলাম (২০) নামে ডিএমপি অধ্যাদেশে দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার।

পলাতক আসামি মো. শহিদুল ইসলাম (২০) ডিএমপি অধ্যাদেশে দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত।

তার বাবার নাম মতিন মিয়া। তিনি রাজধানীর ভাষানটেক থানার আবুলের পোড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা।

তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার আইলাসমিতি এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বসে।

ওই আদালতে মিরপুর বিভাগের সাতটি থানায় ডিএমপি অধ্যাদেশে দায়ের করা মামলার আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

ভাষানটেক থানায় ডিএমপি অধ্যাদেশের ৭৭/১০০ ধারায় দায়ের করা মামলায় শহিদুলকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, মিরপুর বিভাগের কাফরুল, ভাষানটেক, রূপনগর ও শাহআলী থানায় ডিএমপি অধ্যাদেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের নিয়মিত পল্লবী থানার হাজতখানায় রাখা হয়। পরে স্কট পার্টির মাধ্যমে তাদের কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার দিনও একই প্রক্রিয়ায় মিরপুর মডেল থানার স্কট পার্টির সদস্যরা শহিদুলকে হাতকড়া পরিয়ে হাজতখানা থেকে বের করে প্রিজন ভ্যানের কাছে নিয়ে যান। এ সময় তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পল্লবী থানার সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরার চেষ্টা করলেও তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বলে জানা গেছে।

এদিকে পল্লবী থানা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামির পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে মিরপুর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে থানা কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনা পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার প্রমাণ। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কোনো আসামি পালায়নি।

সিয়াম সরিষা
Link copied!